নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: নির্মাণ সামগ্রী চুরির অভিযোগ তুলে সোমবার রাতে এক যুবককে গণপিটুনি দিয়ে খুন করা হয়েছিল। এই খুনের পিছনে প্রধান ভূমিকা নিয়েছিলেন জেটিয়া থানার কাঁপা পশ্চিমপাড়া এলাকার এক প্রোমোটার। এই অভিযোগে ওই প্রোমোটার অজয় রায় সহ ১৯ জনকে পুলিস গ্রেপ্তার করল। পুলিস জানিয়েছে, মৃত সুরজ চৌধুরীর (২৭) বাড়ি চাঁদুয়া এলাকায়। রাতেই মৃতের পরিবারের লোকজন প্রোমোটার অজয় রায় সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। বারাকপুর পুলিস কমিশনারেটের ডি সি নর্থ গণেশ বিশ্বাস বলেন, অজয় রায় সহ ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মঙ্গলবার ধৃতদের বারাকপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে অজয় রায় সহ তিনজনের আটদিনের পুলিস হেফাজত হয়েছে। বাকি ১৬ জনের আটদিনের জেল হেফাজত হয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সুরজ দিন মজুরের কাজ করতেন। কিছুদিন আগেই তাঁর বাবার মৃত্যু হয়। মা অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান। সুরজ প্রোমোটার অজয় রায়ের একটি আবাসনে কাজ করছিলেন। সেই আবাসন থেকে বেশ কিছু নির্মাণ সামগ্রী চুরি হয়ে যায়। প্রোমোটার সুরজকে সন্দেহ করে সোমবার রাত দশটা নাগাদ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান। এরপর বেধড়ক মারধরও করেন। সুরজের মা ছেলেকে বাঁচাতে গেলে অজয় চার লক্ষ টাকা দাবি করেন। তখন ছেলেকে বাঁচাতে মহিলা দেনা করে দু’দফায় ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা প্রোমোটারের কাছে জমাও দেন। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি।
মৃতের মা বলেন, আমার ছেলে ভুলবশত কয়েকটি পাইপ কাজের জায়গা থেকে নিয়ে এসেছিল। ছেলে অন্যায় করেছে। আমি ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিলাম। ওরা টাকা দাবি করেছিল। আমি ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ধার করে ওদের দিয়েছিলাম। কিন্ত, ওরা টাকা নেওয়ার পরও আমার চোখের সামনে জলজ্যান্ত ছেলেটাকে খুন করে দিল। আমরা ওদের শাস্তি চাই। এ ব্যাপারে সাংসদ পার্থ ভৌমিক জানান, অজয় রায় বিজেপি করেন। পুলিস আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।
মৃতের মা বলেন, আমার ছেলে ভুলবশত কয়েকটি পাইপ কাজের জায়গা থেকে নিয়ে এসেছিল। ছেলে অন্যায় করেছে। আমি ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিলাম। ওরা টাকা দাবি করেছিল। আমি ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ধার করে ওদের দিয়েছিলাম। কিন্ত, ওরা টাকা নেওয়ার পরও আমার চোখের সামনে জলজ্যান্ত ছেলেটাকে খুন করে দিল। আমরা ওদের শাস্তি চাই। এ ব্যাপারে সাংসদ পার্থ ভৌমিক জানান, অজয় রায় বিজেপি করেন। পুলিস আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।



