সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে গিয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও কোনো মৎস্যজীবী ট্রলার নিয়ে সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারছেন না কারণ সমুদ্র এখনও উত্তাল। বৃহস্পতি ও শুক্রবার সকালে বহু মৎস্যজীবী মাছ ধরতে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু বাধ্য হয়ে ফিরে আসতে হয় তাঁদের। এই পরিস্থিতিতে মরশুমের শুরুতেই আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন মৎস্যজীবীরা।
মৎস্যজীবী সংগঠন সূত্রে খবর, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দুই থেকে সাত জুলাই পর্যন্ত সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল সরকার। ৮ জুলাই নিষেধাজ্ঞা ওঠে। কিন্তু ১০ তারিখ পেরিয়ে গেলেও কোনো মৎস্যজীবী সমুদ্রে যেতে পারছেন না। তপন দাস নামে এক মৎস্যজীবী জানান, মাছ ধরতে যাওয়ার সময় প্রতি ট্রিপে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা খরচ হয়। এবার গভীর সমুদ্রে যেতে গিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বহু ট্রলার মাঝ পথেই ফিরে এসেছে। সেই ট্রলারগুলি সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে। এছাড়াও প্রায় দশ দিন ধরে ট্রলারগুলি উপকূলে দাঁড়িয়ে। এই সময়ের মধ্যে সেগুলি আরও একবার সমুদ্রে গিয়ে মাছ ধরে ফিরে আসতে পারত। এবার সবদিক থেকেই মৎস্যজীবীরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। কাকদ্বীপ ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন, ‘দুর্যোগ কেটে গেলেও সমুদ্র এখনও উত্তাল। মৎস্যজীবীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।’ নিজস্ব চিত্র