নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: অবশেষে সমস্যা মিটল। দিল্লি গেল সুন্দরবনের প্রান্তিক এলাকার ছাত্রী সেলিমা মোল্লা। ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের সহায়তায় রাজধানীতে লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারবে সে। বিধায়ক নিজের প্রচেষ্টায় বিমানের টিকিট, হোটেলের ব্যবস্থা সহ যাবতীয় খরচ বহন করেছেন। সেলিমা যাতে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে পারে, তার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পাশের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শুক্রবার সকালের বিমানে দিল্লি গিয়েছে নবম শ্রেণির এই ছাত্রী। শুধু প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে হাজির থাকাই নয়, একদিন দিল্লি ঘুরে দেখার জন্য বাড়তি সময়ও পাবে সেলিমা। সেই ব্যবস্থাও করেছেন বিধায়ক।
সেলিমার সঙ্গে তাঁর বাবা সেলিম মোল্লা ও স্কুলের শিক্ষক প্রীতমজিৎ গোস্বামী দিল্লি গিয়েছেন। এদিন বিমানবন্দরে পৌঁছে আপ্লুত ও আবেগঘন হয়ে পড়ে সেলিমা। সুন্দরবনের পিছিয়ে পড়া গ্রাম থেকে উঠে আসা এই ছাত্রী লালকেল্লায় হাজির থাকতে পারবে, তা ভেবেই আনন্দে চোখে জল এসেছে তার। জানা গিয়েছে, ‘বিকশিত ভারত’ নিয়ে ইংরেজিতে প্রবন্ধ লিখে জমা দিয়েছিল বাসন্তীর ফুলমালঞ্চ ঋতুভকত হাইস্কুলের নবমের ছাত্রী সেলিমা। তার লেখায় মুগ্ধ হয়ে আধিকারিকরা পুরস্কার স্বরূপ তাকে লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল অর্থ ও অনুষ্ঠানে প্রবেশের ই-পাশ। একেবারে শেষ মুহূর্তে দু’টিরই সমাধান হয়ে যায়। এই নিয়ে পরেশবাবু বলেন, নিঃসন্দেহে ওই ছাত্রীর কাছে এটা বড়ো প্রাপ্তি। এই খবর জানার পর আমি ওদের আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছিলাম। বৃহস্পতিবার রাতেই বিমানের টিকিট ও হোটেল বুকিং করা হয়।