Bartaman Logo
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কাকলি-সুদীপরা কি ঋতব্রত শিবিরে ফিরবেন? ঘাসফুল প্রতীক দ্রুত ফয়সালার প্রেক্ষাপটে এনসিপিআই ঘিরে নতুন গুঞ্জন

ঘাসফুলের প্রতীক কার হাতে থাকবে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের? এই প্রশ্নের উত্তর যখন নির্বাচন কমিশনের ঘরে, তখন নতুন সমীকরণের খবর সামনে আসছে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া (এনসিপিআই) নিয়ে।

কাকলি-সুদীপরা কি ঋতব্রত শিবিরে ফিরবেন? ঘাসফুল প্রতীক দ্রুত ফয়সালার প্রেক্ষাপটে এনসিপিআই ঘিরে নতুন গুঞ্জন
  • ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

রাহুল চক্রবর্তী, কলকাতা: ঘাসফুলের প্রতীক কার হাতে থাকবে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের? এই প্রশ্নের উত্তর যখন নির্বাচন কমিশনের ঘরে, তখন নতুন সমীকরণের খবর সামনে আসছে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া (এনসিপিআই) নিয়ে। ঘাসফুল প্রতীকের আইনি দখল পেতে মরিয়া ঋতব্রত শিবির। এমনও শোনা যাচ্ছে, ঋতব্রতর হাতে ঘাসফুল প্রতীক চলে গেলে তৃণমূল-ত্যাগী এনসিপিএর ২০ জন সাংসদ ঘিরে রাজনীতির ময়দানে হতে পারে নতুন খেলা।

Advertisement

এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, ১৯৯৮ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-তৃণমূল কংগ্রেস-ঘাসফুল প্রতীক এক সারিতে। কিন্তু ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর তৃণমূলের রাজনীতি নতুন খাতে বইতে শুরু করেছে। মমতার সঙ্গ ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন তৃণমূলের একঝাঁক নেতা-নেত্রী। ঋতব্রতর নেতৃত্বে গঠিত সংগঠনে শামিল হয়েছেন তৃণমূলের একটি বড়ো অংশের নেতা-কর্মীরা। এই প্রেক্ষাপটেই মস্ত প্রশ্ন সামনে এসেছে, তৃণমূল দল দুভাগ হলেও দলীয় প্রতীক কোন পক্ষের হাতে থাকবে? বিষয়টি এখনো জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিচারাধীন। এই জটিলতার দ্রুত ফয়সালা চেয়ে কমিশনে একাধিক চিঠি দিয়েছেন মমতা। আবার ঋতব্রত শিবিরও ঘাসফুল প্রতীকের দাবি জানিয়ে কমিশনে ছোটাছুটি শুরু করে দিয়েছে। ঘাসফুল প্রতীক পাওয়ার ব্যাপারে এই শিবির আত্মবিশ্বাসী। বিধানসভায় বিরোধী দলের মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান বলেন, দিল্লির আইনজীবীদের মারফত আমাদের কাছে যে খবর আসছে, তাতে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই আমরা প্রতীক পেয়ে যাব।
তৃণমূল ভবন সূত্রে শোনা যাচ্ছে, ঋতব্রতরা ঘাসফুলের নতুন ‘মালিক’ হলেই এনসিপিআইতে যোগদানকারী ২০ জন সাংসদ ঋতব্রত শিবিরে ফিরতে পারেন! রাজনীতির কারবারিদের মত হল, সেক্ষেত্রে সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষদস্তিদারদের সুবিধাই হবে। ঋতব্রত তৃণমূলে ফিরে ‘তৃণমূলেই আছি’ দাবি করতে পারবেন তাঁরা। তাঁদের সাংসদ পদ খারিজ হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যাবে অনেকাংশে। 
সুদীপ, কাকলিদের সাংসদ পদ খারিজের জন্য ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও হয়েছে। মমতাপন্থী সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, ‘ওই ২০ জনের সাংসদ পদ খারিজ করেই দেখাব।’ ফলে দলবদলের প্রক্রিয়ায় নতুন কোনো মোড় তৈরি হয় কি না, এখন সেটাই দেখার। -ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ