নয়দিল্লি, ৩০ অক্টোবর: এবার থেকে সাইবার অপরাধিদের জালে পা দিয়ে আর্থিক প্রতারণার শিকার হলে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ব্যাঙ্ককে। কিন্তু এক্ষেত্রে রয়েছে একটি শর্ত। জালিয়াতির ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের কোনো গাফিলতি থাকলে তবেই ব্যাঙ্ককে জালিয়াতির সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ওই প্রতারিত ব্যক্তিকে । গতকাল এমনটাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও ভি মোহনার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এই বিষয়ে সাফ জানানো হয়েছে।
গতকাল বিচারপতিদের বেঞ্চ জানান, ‘সাইবার অপরাধ গত কয়েকবছরে ৫০ শতাংশ কমে গিয়েছে। তাও এইবছর প্রতারিতদের প্রায় ৮০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। আরবিআইকে কেওয়াইসির জন্য নতুন সংশোধনী নির্দেশিকা জারি করতে বলা হয়েছে। সেই নির্দেশিকাগুলি খতিয়ে দেখা হবে। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তা কার্যকর করতে হবে। যদি কোনো ব্যাঙ্ক নিয়ম না মানে তাহলে ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে সেই বিষয়েও উল্লেখ থাকবে।’ প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, প্রতারকরা ডিজিটাল অ্যারেস্টের নাম করে প্রতারণা করছে। সেই বিষয়েও সাধারণ মানুষকে সতর্ক করতে বলা হয়েছে।’ ব্যাঙ্কগুলিতে অস্বাভাবিক লেনেদেন দেখলেই তা যাচাই করে ছাড়তে বলা হয়েছে। এআই ব্যবহার করে সন্দেহজনক লেনদেন চিহ্নিত করতে হবে। সেইসঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের সব রাজ্যের পুলিশকে সাইবার প্রতারণা সংক্রান্ত এফআইআর ও তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে হবে। কীভাবে এই সাইবার প্রতারণা আটকানো যায়, আর কীভাবে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা যায় সেই বিষয়েও পুলিশের থেকে পরামর্শ চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।



