নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আজ দুপুর তিনটেতে বিজেপি বিহার পরিষদীয় দলের বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত হবে কে হবেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এক ঘণ্টা পর সেই প্রস্তাব এনডিএ-এর বৈঠকে অনুমোদিত হবে। বিহারে মুখ্যমন্ত্রী মনোনয়ন নিয়ে দলের পর্যবেক্ষক হিসাবে পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানকে। তাঁরই উপস্থিতিতে দুটি বৈঠক হবে। নীতীশ কুমারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা সময়ের অপেক্ষা। সম্ভবত আগামী কাল, বুধবার পাটনার গান্ধী ময়দানে হতে চলেছে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ। নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ জুটি বহুবার সবরকম জল্পনা ও গুঞ্জনকে মিথ্যা প্রমাণ করে রাজ্যে রাজ্যে সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত কাউকে মুখ্যমন্ত্রী করেছেন। একইভাবে বিহারের নীতীন নবীনকে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি করা হয়েছে। বিহারে বিজেপি যখন এই প্রথম তাদের নিজস্ব মুখ্যমন্ত্রী পেতে চলেছে, তখন সর্বাগ্রে যে নাম নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে সেটি হল, উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। বেশ কয়েকবছর ধরেই তাঁকে বিজেপি নতুন প্রজন্মের নেতা হিসাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুশীল মোদির মৃত্যুর পর সম্রাট চৌধুরীকেই উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয়। নীতীশকুমার মুখ্যমন্ত্রী থাকলেও বিহারের অর্থমন্ত্রক ছিল সম্রাট চৌধুরীর হাতেই। যাদব নয় এমন ওবিসি সম্প্রদায়কে সন্তুষ্ট করতে সম্রাট চৌধুরী হতে পারেন বিজেপির তাস। অন্যদিকে জেডিইউয়ের পক্ষ থেকেও আশা ছাড়া হচ্ছে না। ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে নীতীশ-পুত্রের নাম। তাই প্রশ্ন হল, বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী পদ পাওয়ার পরে সংযুক্ত জনতা দলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কেমন হবে? বিজেপি বিরক্ত অথবা ক্ষুব্ধ হলেও নীতীশ কুমারের দলের বিরুদ্ধে খুব বেশি মুখ খুলতে পারবে না। কারণ, সংখ্যালঘু বিজেপি সরকারের প্রাণভোমরা এখনও নীতীশকুমারের দল।



