


মাঝ আকাশে বিমানের পাইলট বড়সড় সমস্যা বা বিপদের আভাস পেলে সাংকেতিক ‘May day’ বার্তা ব্যবহার করেন। আন্তর্জাতিক স্তরে গ্রহণযোগ্য এই সঙ্কেতের মাধ্যমে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের থেকে সাহায্য চান তিনি।
কোথা থেকে এল সাংকেতিক বার্তা
এটি মূলত ফরাসি শব্দ ‘মেইডার’ থেকে এসেছে। যার অর্থ ‘আমায় সাহায্য করুন।’ ১৯২০ সালে লন্ডনের ক্রোয়ডন বিমানবন্দরের রেডিও অফিসার স্ট্যানলি মকফোর্ড প্রথম ‘মেডে’ বার্তা ব্যবহার করেন। ১৯২৩ সালে পাইলট ও মেরিনার্সদের আন্তর্জাতিক রেডিও কমিউনিকেশনে জরুরি বিপদ-সঙ্কেতের জন্য এটি চালু হয়। ১৯২৭ সালে আন্তর্জাতিক রেডিওটেলিগ্রাম কনভেনশনে স্বীকৃতি পায় এই বার্তা।
কীভাবে ‘মেডে কল’ করেন পাইলট?
জরুরি ভিত্তিতে সাহায্যের জন্য এটিএসকে উদ্দেশ করে তিনবার ‘মেডে’ বলেন পাইলট। সঙ্গে বিমানের নম্বর, লোকেশন, কী ধরনের সমস্যা ও যাত্রীর সংখ্যাও উল্লেখ করেন তিনি।
এরপর কী করে এটিএস?
পাইলটের এই বার্তার পরেই ওই ফ্রিকোয়েন্সিতে থাকা সমস্ত রেডিও ট্রাফিক পরিষ্কার করে দেওয়া হয়। বিপর্যয়ের মুখে পড়া বিমানকে সমস্তরকমভাবে সাহায্যের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে এটিএস।
‘প্যান প্যান’ কল
জরুরি হলেও অপেক্ষাকৃত কম বিপদের সময় এই বার্তা ব্যবহার করেন পাইলটরা।