নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পালাবদলের ধাক্কা এবার পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস (এগজিকিউটিভ) অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের অন্দরে। ভেঙে দেওয়া হল বর্তমান স্টেট এগজিকিউটিভ কমিটি। একই সঙ্গে অফিসারদের নিয়ে কনভেনশন ডাকা, ‘চার্টার অফ ডিমান্ডস’ তৈরির কাজ এবং নতুন সরকারের সঙ্গে আলোচনার উদ্দেশ্যে চার সদস্যের একটি অন্তর্বর্তী ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিগত এগজিকিউটিভ কমিটির সভাপতি আরশাদ হাসান ওয়ারসি ছাড়াও এই কমিটিতে আছেন কৌশিক নাগ, দীপ্তার্ক বসু এবং বাপ্পা গোস্বামী। শেষবার এজিএম হয়ে কমিটি গঠন হয়েছিল ২০০২ সালে। তাই নতুন স্টেট এগজিকিউটিভ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে দ্রুত নির্বাচনের তোড়জোড় শুরুর সিদ্ধান্তও হয়েছে।
গত ২৩ মে কলকাতার জওহরলাল নেহরু রোডে অবস্থিত অ্যাসোসিয়েশন অফিসে অনুষ্ঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস (এগজিকিউটিভ) অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের স্টেট এগজিকিউটিভ কমিটির বৈঠক। সেই সভায় জেনারেল সেক্রেটারি সৈকত আসরাফ আলি তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং সংগঠনের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালানোর জন্য দ্রুত এজিএম করার প্রস্তাব দেন। বিভিন্ন ব্যাচের ডব্লুবিসিএস আধিকারিকরা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন। সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন এজিএম না হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বড়ো অংশের আধিকারিকরা। সংগঠনের ঐক্য বজায় রাখা, অডিট সম্পূর্ণ করা এবং প্রশাসনিক কাঠামোকে শক্তিশালী করার দাবিও তোলেন তাঁরা। সংগঠনের তরফে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবিও উঠেছে বলে খবর। তবে আধিকারিকদের একাংশ এবং সংগঠনের পদাধিকারীদের রাজনৈতিক দলের হয়ে ‘ক্যাম্পেইন’ করা নিয়ে বৈঠকে সরব হন অনেকে। বৈঠকের মিনিটসের কপি ছড়িয়ে পড়েছে আমলা মহলে।