


সংবাদদাতা, বোলপুর : কীর্ণাহার ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কাটোয়া–আমোদপুর রেলের একটি আন্ডারপাসে দীর্ঘদিন ধরে জল জমে রয়েছে। এলাকাবাসীর কাছে তা দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জানা যায়, রেল ক্রসিং সংলগ্ন এই আন্ডারপাস দিয়ে প্রতিদিন কীর্ণাহার সহ পার্শ্ববর্তী একাধিক এলাকার মানুষ যাতায়াত করেন। এমনকি এই আন্ডারপাসটির কাছেই রয়েছে কীর্ণাহার থানা। তবুও সমস্যার স্থায়ী সমাধান আজও হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, সারা বছর ধরেই আন্ডারপাসে জল জমে থাকে। ড্রেনের জল ও নলকূপের ব্যবহৃত জল জমে রাস্তা কার্যত জলাশয়ে পরিণত হয়। অথচ এখানে কোনও ঠিকমতো জলনিকাশি ব্যবস্থা নেই। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পথচলতি মানুষ, সাইকেল, মোটরসাইকেল ও ছোট গাড়ি চালকদের চরম সমস্যার মুখে পড়তে হয়।
প্রায় সময় দীর্ঘক্ষণরেল গেট পড়ে থাকায় এই রাস্তাটিবিকল্প রাস্তায় হিসেবে ব্যবহার করেন অধিকাংশ মানুষ।এই রাস্তা দিয়েমূলত ছোট গাড়িই চলাচল করে। কিন্তু জল জমে থাকার ফলে গাড়ি খারাপ হয়ে যাবার মতো ঘটনাও ঘটেছে।এলাকাবাসীরা দুর্ঘটনার আশঙ্কাওকরছেন।জমা জলের উপর দিয়ে পথচারীদেরযাতায়াতের ভোগান্তি নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক সময় স্কুল পড়ুয়া ও জরুরি কাজে যাওয়া মানুষদেরও বিপাকে পড়তে হয় বলে জানা গেছে। এলাকাবাসীর পক্ষে কালো বরণ ঘোষ, রাম দাসীরা বলেন, এই রাস্তা দিয়ে আমাদের জীবনে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। মাঝেমধ্যেই এক বুক সমান জল উঠে যায়। প্রায় আট দশ বছর ধরেই এমন হয়ে আসছে। অবিলম্বে আন্ডারপাসে জমা জল জল নিকাশি ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিষ্কার করে দেওয়া হোক। একই সঙ্গে তাঁরা বলেন, প্রশাসনকে আগে জানিয়েও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই বিষয়ে কীর্ণাহার ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুরেশ সাঁতরা বলেন, আমরা অনেক আগেই রেলের এই আন্ডারপাসের জল নিষ্কাশনের জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু রেলের তরফ থেকে আমাদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। আগামী দিনে রেলের অনুমতি পেলেই খুব দ্রুততার সঙ্গে এই কাজটি সম্পন্ন করা হবে। যদিও এই বিষয় নিয়ে রেলের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।