Bartaman Logo
১৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ডেপুটি রেজিস্ট্রার নিয়োগ নিয়েও অনিয়ম, কাঠগড়ায় বিশ্বভারতী

বিশ্বভারতীতে ডেপুটি রেজিস্ট্রার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় তফসিলি জাতি কমিশন দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন।

ডেপুটি রেজিস্ট্রার নিয়োগ নিয়েও অনিয়ম, কাঠগড়ায় বিশ্বভারতী
  • ১৮ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বোলপুর: ফের বিশ্বভারতীতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সংরক্ষিত (এসসি) আসনে ডেপুটি রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগে কেন্দ্রের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রকের কাছে জবাব তলব করেছে জাতীয় তফসিলি জাতি কমিশন। সম্প্রতি কমিশনের পক্ষ থেকে একটি চিঠি পাঠিয়ে সাতদিনের মধ্যে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। যদিও এই নিয়ে বিশ্বভারতীর জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ কোনো মন্তব্য করতে চাননি। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, গত বছর আগস্ট মাসে বিশ্বভারতীতে লাইব্রেরিয়ান, ডেপুটি রেজিস্ট্রার, স্টেট অফিসার ও জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার এইসব পোস্টে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি বেরিয়েছিল। নির্ধারিত যোগ্যতা মান থাকা প্রার্থীরাই এই পদে প্রথমে লিখিত ও পরে ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে নিয়োগের সুযোগ পাবেন বলে জানানো হয়েছিল। প্রথম ধাপে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া প্রার্থীদের চলতি বছরে মে মাসে একটি তালিকা প্রকাশিত হয়। এমনকী জুন মাসে ইন্টারভিউ হয়। তারপরেই ডেপুটি রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা লিটন বিশ্বাস নামে এক প্রার্থী। অভিযোগকারীর দাবি, সংশ্লিষ্ট এসসি সংরক্ষিত এই পদে ‘ডিজায়ারেবল কোয়ালিফিকেশন’ রাখা হয়েছে।  যদিও তাঁর দাবি অনুযায়ী এই ধরনের সংরক্ষিত পদে এমন শর্ত রাখার নিয়ম নেই। তাঁর অভিযোগ, ওই অতিরিক্ত যোগ্যতার শর্ত এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে শেষ পর্যন্ত নিজেদের নির্বাচিত প্রার্থী নিয়োগ পেতে পারে। 
উচ্চশিক্ষা মন্ত্রকের কাছে পাঠানো কমিশনের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই পদপ্রার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে ৩০ জুন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রকের সচিবকে প্রথম চিঠি পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর না মেলায় ফের চিঠি পাঠানো হয়েছে। কমিশন দ্রুত বিষয়টির নিষ্পত্তি করে গৃহীত পদক্ষেপের বিস্তারিত জানাতে বলেছে। যদিও বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে জানতে চেয়ে এখনও পর্যন্ত উচ্চশিক্ষা মন্ত্রক থেকে কোনো চিঠি আসেনি। সমস্ত নিয়ম মেনেই এই পদে নিয়োগ হয়ে গিয়েছে এমনটাই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। এদিকে, অভিযোগটি জাতীয় তফসিলি জাতি কমিশনে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও কীভাবে নিয়োগ হল, তা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারী লিটন বিশ্বাস বলেন, একটা পরীক্ষা হলে তার কে কত নম্বর পেয়েছে সেটা প্রকাশ করা দরকার। এক্ষেত্রে তা হয়নি। নিজেদের মতো করে ইন্টারভিউয়ে যাকে ইচ্ছা হল ডাকলাম, এটা তো হয় না। তাই আমি কমিশনকে জানিয়েছি। সবকিছু স্বচ্ছতার সঙ্গে হোক। এমনকী উচ্চশিক্ষা মন্ত্রক কমিশনকে প্রথমবারের চিঠির উত্তর দেয়নি। তার মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ করেছে এই পদে। এমনটা জানতে পেরেছি। এক্ষেত্রেও অনিয়ম হয়েছে বলে মনে করছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ