তিরুবনন্তপুরম: রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়ে ভারতকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েও সেভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন না কিং কোহলি। বরং তাঁর চোখেমুখে স্পষ্ট ছিল দৃঢ়তা ও সংকল্পের ছাপ। এক সময়ের আগ্রাসী মহানায়ক এখন অনেকটাই বদলে ফেলেছেন নিজেকে। বক্তব্যেও ধরা পড়ল তারই প্রতিধ্বনি। সাফ জানিয়ে দিলেন, ব্যক্তিগত কীর্তি আর তাঁকে বিশেষ আবেগতাড়িত করে না।
পরপর দুটো ছক্কা মেরে জেতানোয় স্পষ্ট রাজকীয় দাপট। তবে ১৫হাজার ওডিআই রানে শচীন তেন্ডুলকরকে টপকে দ্রুততম হওয়ার মতো কোনো কীর্তিই স্পর্শ করছে না কোহলিকে। ম্যাচ শেষে মাইকের সামনে তিনি বললেন, ‘নজর কখনোই মাইলস্টোনে থাকে না। পরিস্থিতি অনুসারে খেলি। দলকে জেতাতে অবদান রাখতে চাই সবসময়। এতদিন ধরে খেলতে পারার জন্য অবশ্যই ধন্য। উপরওয়ালার আশীর্বাদ ছাড়া এটা হয় না।’ নিজের ইনিংস নিয়ে তাঁর মূল্যায়ন, ‘কেরিয়ারের এই পর্যায়ে ফিট থাকা জরুরি। মানসিকভাবে তরতাজা না থাকলে যা সম্ভব নয়। এখন নিজেকে আরও আক্রমণাত্মক ভাবে মেলে ধরতে চাইছি। খেলায় সেই মাত্রাটা যোগ করাই এখন চ্যালেঞ্জ।’ পাশাপাশি, প্রশংসায় ভরিয়েছেন অধিনায়ক শুভমান গিলকেও। কোহলির মতে, ‘ওর মতো প্রতিভাধর উলটোদিকে থাকলে বড়ো জুটি গড়তে সমস্যা হয় না। ওকে খুব বেশি কিছু বলতে হয় না। নিজের প্রতিভার প্রতি সুবিচার করছে গিল। বিশ্বসেরাদের মধ্যে ও পড়ে।’