নয়াদিল্লি: গত ৩ অক্টোবর যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির মধ্যে তিন মহিলা সাংবাদিককে যৌন হেনস্তার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় পড়ে যায় গোটা দেশে। কিন্তু, চারদিন কেটে গেলেও অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব পুলিশ (এসিপি)-র বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি দায়ের হয়নি এফআইআরও। এবার এই ঘটনায় নয়া মোড়। যৌন হেনস্তা সংক্রান্ত একটি ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশের দাবি, ভিডিয়োটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি। অর্থাৎ সেটি ভুয়ো। বাস্তবে এমন কিছু ঘটেইনি। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ভুলভাবে বিষয়টিকে তুলে ধরা হয়েছে। এমনকি, সেটিকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে ভিডিয়োটি দেখে মনে হয় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ। এর নেপথ্যে ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্র’ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শচীন শর্মা জানিয়েছেন, ভিডিয়োটি প্রচার করার অভিযোগে হরিয়ানার মেওয়াট থেকে নাদিম আহমেদ আমিন নামে ২৪ বছরের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পেশায় তিনি সাংবাদিক। তাঁর থেকে একটি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। ‘নিউজ আইনা টুডে’ নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি চ্যানেল রয়েছে নাদিমের। ওই ফোনটি থেকেই সংশ্লিষ্ট ভিডিয়োটি শেয়ার করা হয়েছিল। তাতে পুলিশ আধিকারিকের নাম, ছবি ও পদ প্রকাশ করা হয়েছিল। শর্মা আরও জানিয়েছেন, ধৃত চ্যানেল চালানোর অর্থের উৎস কী, তা জানার চেষ্টা চলছে। আন্দোলনের সময় অশান্তি ও অরাজকতা ছড়ানোর লক্ষ্যে ওই ভিডিয়ো বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ কি না, সেবিষয়ও তদন্ত করছে পুলিশ।



