Bartaman Logo
৮ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘ভিবি জি রামজি’: পিছিয়ে থাকা এক হাজার পঞ্চায়েতে এবার মেন্টর নিয়োগ করল রাজ্য

‘ভিবি জি রামজি’ অর্থাৎ ‘১২৫ দিনের কাজ’ প্রকল্পে রাজ্যের ৩,৩৩৯টির মধ্যে ১০০০টি গ্রাম পঞ্চায়েত অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে।

‘ভিবি জি রামজি’: পিছিয়ে থাকা এক হাজার পঞ্চায়েতে এবার মেন্টর নিয়োগ করল রাজ্য
  • ৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সৌম্যজিৎ সাহা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ‘ভিবি জি রামজি’ অর্থাৎ ‘১২৫ দিনের কাজ’ প্রকল্পে রাজ্যের ৩,৩৩৯টির মধ্যে ১০০০টি গ্রাম পঞ্চায়েত অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে। এসব পঞ্চায়েত যাতে ঠিকমতো কাজ করতে পারে, তার জন্য মেন্টর নিযুক্ত করল পঞ্চায়েত দপ্তর। সংশ্লিষ্ট জেলার আইএসজিপি (ইনস্টিটিউশনাল স্ট্রেংদেনিং অব গ্রাম পঞ্চায়েতস প্রোগ্রাম) সেল থেকে একজন-দু’জন করে আধিকারিককে সংশ্লিষ্ট ‘দুর্বল’ পঞ্চায়েতের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। মূলত ঠিকমতো স্কিম তৈরি করতে না পারার জন্যই এই এক হাজারের বেশি পঞ্চায়েত পিছিয়ে আছে বলে মনে করছে দপ্তর। এর পিছনে অন্যতম একটি কারণ হল পালাবদল পরবর্তী রাজনৈতিক ডামাডোল। বহু পঞ্চায়েতে প্রধান আসছেন না। তবে এই কারণ দেখিয়ে আর চিঁড়ে ভিজছে না! ‘ভিবি জি রামজি’র কাজ আরও ভালোভাবে করতে তাই নিযুক্ত হওয়া অফিসারদের উপর ভরসা রাখছে দপ্তর। এই মর্মে জেলায় জেলায় নির্দেশিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, বর্তমানে এই প্রকল্পের মাধ্যমে এক লক্ষ কর্মদিবস সৃষ্টি হচ্ছে রোজ। দেশের বাকি রাজ্যগুলির তুলনায় এই অঙ্ক অনেকটাই কম। জুলাই মাসে এই প্রকল্প চালু হলেও এখনও সেই উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি রাজ্য। এই অবস্থায় ‘দুর্বল’ পঞ্চায়েতগুলিকে টেনে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকেই বেশি ‘দুর্বল’ পঞ্চায়েত রয়েছে দপ্তরের তালিকায়। যেমন, পুরুলিয়ার হুড়া ব্লকের কেশেরগড়, কালাবনি। জয়পুরের ঘাগরা, মুকুন্দপুর প্রভৃতি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর ১ ব্লকের আমগাছিয়া, আন্ধারমানিক, জুলপিয়া প্রভৃতি। কুলপির বাবুরমহল, ক্যানিং ১ ব্লকের মাতলা ১, মাতলা ২ প্রভৃতি। উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকের বেড়াচাঁপা ১ ও ২, হাবড়া এক ব্লকের মছলন্দপুর ২ পঞ্চায়েত রয়েছে এই তালিকায়। এই সব পঞ্চায়েত যাতে সঠিক স্কিম তুলে আনতে পারে, তার জন্য সবরকম সাহায্য করবেন মেন্টররা। এটাই তাঁদের মূল কাজ। এছাড়াও পরিকল্পনা তৈরি ও রূপায়ণে পরামর্শ দেবেন তাঁরা। পঞ্চায়েত ও ব্লক অফিসকে প্রয়োজনীয় নির্দেশও দিতে পারবেন তাঁরা। কাজ ঠিক মতো হচ্ছে কি না, সেটাও দেখবেন। দপ্তরের আশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে কয়েক মাসের মধ্যেই আমূল পরিবর্তন দেখা যাবে ‘ভিবি জি রামজি’প্রকল্পে পিছিয়ে থাকা পঞ্চায়েতগুলিতে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ