নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে পরিবর্তন আসতেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ক্যাম্পাস দখলে নেমে পড়েছে এবিভিপি। এমনই অভিযোগ তুলছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এআইডিএসও সমর্থকরা। তাঁদের অভিযোগ, কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসে ঢুকে ডিএসও-র ফেস্টুন, ব্যানার ছেঁড়া শুরু করেন তাঁরা। বাধা দিতে গেলে শিবম মণ্ডল নামে এক ডিএসও সমর্থকের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে কলকাতা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর মাথায় চারটি সেলাই পড়েছে। অনীক দে নামে এক ছাত্রের ডানচোখের দৃষ্টিশক্তিও নষ্ট হয়েছে বলে ডিএসও-র দাবি। সংগঠনের সর্বভারতীয় সভানেত্রী শ্রাবন্তী সাপুইকে লাঠিপেটা করার অভিযোগও করা হয়েছে এবিভিপির বিরুদ্ধে।
একইভাবে রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ ক্যাম্পাসে এবিভিপি সমর্থকরা ঢুকে বাধা পান বলেও সূত্রের খবর। আশুতোষ কলেজে কিছু বহিরাগত ঢুকে বিজেপির ঝান্ডা লাগিয়ে যায়। এবিভিপির রাজ্য সম্পাদক নীলকণ্ঠ ভট্টাচার্য বলেন, ‘রাষ্ট্রবাদী ছাত্ররা ক্যাম্পাসে ঢুকলে তাঁদের ঘিরে লেনিন, স্ট্যালিনের নামে স্লোগান দেন ডিএসও-র সমর্থকরা। এমনকি, ভারত ভাগ করার স্লোগানও দেওয়া হয়। তারই প্রতিরোধ করা হয়েছে। ভারত মাতা কি জয়, বন্দে মাতরম ছাড়া কোনো ভারতবিরোধী স্লোগান আর দেওয়া যাবে না।’ তাঁর দাবি, আশুতোষ কলেজে গিয়ে হুজ্জুতি করা লোকজন এবিভিপির সঙ্গে যুক্ত নয়। পরিবর্তনের পরে হঠাৎ ‘রাষ্ট্রবাদী’ হয়ে ওঠা কিছু অতি উৎসাহী এই কাজ করেছেন।