


নয়াদিল্লি: ঘাতক আই-২০ গাড়ির স্টিয়ারিং ছিল চিকিৎসক উমর নবির হাতেই। ফরেন্সিক টিমের তদন্তে এবিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-প্রমাণ মিলেছে। সরকারি সূত্রে খবর, ঘাতক গাড়ির আশপাশ থেকে উদ্ধার হওয়া দেহাংশের ডিএনএ চিকিৎসক উমরের পরিবারের সদস্যদের নমুনার সঙ্গে মিলে গিয়েছে। লালকেল্লার কাছে সোমবার সন্ধ্যায় বিস্ফোরণের পর কাশ্মীরের পুলওয়ামায় উমরের মা, বাবা ও দুই ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছিল নিরাপত্তা বাহিনী। তাঁদের ডিএনএ নমুনাও সংগ্রহ করা হয়। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, সেই নমুনার সঙ্গে উমরের ডিএনএ ১০০ শতাংশ মিলে গিয়েছে। ঘাতক গাড়ির কাছ থেকে একটি হাত উদ্ধার হয়েছিল। সেই কাটা হাতের নমুনার সঙ্গেই মিলে গিয়েছে কাশ্মীরি ডাক্তারের পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ। ফলে উমরই যে আত্মঘাতী জঙ্গি, সেবিষয়ে তদন্তকারীরা এখন মোটামুটি নিশ্চিত।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে চিকিৎসক উমরের ডিএনএ মিলে যাওয়ায় তদন্তের ক্ষেত্রে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের পর্দা ফাঁস করার কাজ অনেকটাই মসৃণ করবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। উমরের গাড়িতে কী ধরনের বিস্ফোরক ছিল, সেবিষয়ে পুলিশ এখনও সরকারিভাবে স্পষ্ট করে কিছু বলেনি। তবে তদন্তকারী সংস্থার একাধিক সূত্র থেকে ইঙ্গিত মিলেছে, বিস্ফোরক হিসেবে সম্ভবত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও আরডিএক্সের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এই বিস্ফোরক মিলিটারি গ্রেডের কি না, তা নিয়ে ধন্দ আছে।