নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ছাত্রছাত্রীদের ট্যাব কেনার টাকা নিয়ম লঙ্ঘন করে পাচারের ঘটনার প্রেক্ষিতে কারিগরি শিক্ষাদপ্তর এই প্রক্রিয়ায় নজরদারি বাড়িয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি নিয়ম মেনে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত নথি পাঠালে তবেই এবারের টাকা ছাড়া হবে। গত ৪ ডিসেম্বর কারিগরি শিক্ষা ডিরেক্টরেট থেকে এমন নির্দেশিকা জারি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির কাছে পাঠানো হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি নিয়ে তা শুধু পোর্টালে অনলাইনে আপলোড করলে চলবে না, ওই নথি জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নোডাল অফিসারের কাছে ফিজিক্যালি পাঠাতে হবে। প্রসঙ্গত, অর্থদপ্তর বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়ার (ডিবিটি) ব্যাপারে একগুচ্ছ নির্দেশিকাসহ বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে।
Advertisement
সাধারণ ও বৃত্তিমূলক শাখা শিক্ষার্থীদের ট্যাব কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। গতবছর পর্যন্ত দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের টাকা দেওয়া হতো। এবার থেকে একাদশ শ্রেণিতেই টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। ফলে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি ছাত্রছাত্রীদের জন্য ট্যাব কেনার টাকা দেওয়া হচ্ছে। ট্যাবের টাকা দেওয়ার জন্য দুটি পোর্টাল ব্যবহার করা হয়। শিক্ষাদপ্তরের ‘বাংলার শিক্ষা’ পোর্টালে মূলত সাধারণ কোর্সে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রক্রিয়া চলে। বৃত্তিমূলক শাখার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য কারিগরি শিক্ষাদপ্তরের ‘তরুণের স্বপ্ন’ পোর্টাল আছে।
বৃত্তিমূলক কোর্সে উচ্চ মাধ্যমিক পড়ানো হয় এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, ‘বাংলার শিক্ষা’ পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করলেও তাঁদের শিক্ষার্থীরা টাকা পায়। সেক্ষেত্রে তরুণের স্বপ্ন পোর্টালে ওই শিক্ষার্থীর নাম আর নথিভুক্ত করা যায় না। যেহেতু বাংলার শিক্ষা পোর্টালটি এবারও আগে চালু হয়েছিল তাই অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই শিক্ষার্থীদের একাংশকে সেখানে নথিভুক্ত করে। ওই শিক্ষার্থীদের অ্যাকাউন্টে টাকা চলে এসেছে। ‘তরুণের স্বপ্ন’ পোর্টালটি পরে চালু হয়েছিল। সেখানে বৃত্তিমূলক শাখায় পড়াশোনা করছে এমন যে শিক্ষার্থীদের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছিল তাদের অ্যাকাউন্টে এখনও টাকা ঢোকেনি। অধিকাংশ কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মূলত দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তরুণের স্বপ্ন পোর্টালে নথিভুক্ত করেছে।
কারিগরি শিক্ষা ডিরেক্টরেট থেকে যে নির্দেশিকা বৃত্তিমূলক পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে পাঠানো হয়েছে, তাতে এখন তাদের কী করতে হবে, তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃত্তিমূলক শাখায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সংগৃহীত তথ্যে নাম, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং আইএফএসসি পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করতে হবে। পোর্টালে আপলোড করতে হবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত যাচাই করা নথি (সই, সিলসহ)। এরপর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত যাবতীয় নথি নোডাল অফিসারের কাছে অফলাইনে পাঠাতে হবে। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক জানিয়েছে, তাঁরা ইতিমধ্যে তরুণের স্বপ্ন পোর্টালে শিক্ষার্থীোদর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য আপলোড করেছেন। ওই পোর্টালটি এখন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, খুব শীঘ্রই পোর্টাল খুললে ফের আপলোড করে অফলাইনে নথি পাঠাতে হবে।
বৃত্তিমূলক কোর্সে উচ্চ মাধ্যমিক পড়ানো হয় এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা জানিয়েছেন, ‘বাংলার শিক্ষা’ পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করলেও তাঁদের শিক্ষার্থীরা টাকা পায়। সেক্ষেত্রে তরুণের স্বপ্ন পোর্টালে ওই শিক্ষার্থীর নাম আর নথিভুক্ত করা যায় না। যেহেতু বাংলার শিক্ষা পোর্টালটি এবারও আগে চালু হয়েছিল তাই অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই শিক্ষার্থীদের একাংশকে সেখানে নথিভুক্ত করে। ওই শিক্ষার্থীদের অ্যাকাউন্টে টাকা চলে এসেছে। ‘তরুণের স্বপ্ন’ পোর্টালটি পরে চালু হয়েছিল। সেখানে বৃত্তিমূলক শাখায় পড়াশোনা করছে এমন যে শিক্ষার্থীদের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছিল তাদের অ্যাকাউন্টে এখনও টাকা ঢোকেনি। অধিকাংশ কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মূলত দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তরুণের স্বপ্ন পোর্টালে নথিভুক্ত করেছে।
কারিগরি শিক্ষা ডিরেক্টরেট থেকে যে নির্দেশিকা বৃত্তিমূলক পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে পাঠানো হয়েছে, তাতে এখন তাদের কী করতে হবে, তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃত্তিমূলক শাখায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সংগৃহীত তথ্যে নাম, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং আইএফএসসি পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করতে হবে। পোর্টালে আপলোড করতে হবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত যাচাই করা নথি (সই, সিলসহ)। এরপর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত যাবতীয় নথি নোডাল অফিসারের কাছে অফলাইনে পাঠাতে হবে। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক জানিয়েছে, তাঁরা ইতিমধ্যে তরুণের স্বপ্ন পোর্টালে শিক্ষার্থীোদর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য আপলোড করেছেন। ওই পোর্টালটি এখন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, খুব শীঘ্রই পোর্টাল খুললে ফের আপলোড করে অফলাইনে নথি পাঠাতে হবে।



