নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: ভদ্রেশ্বর, মানকুণ্ডু থেকে চন্দননগর। জগদ্ধাত্রী পুজোকে কেন্দ্র করে আলোর রোশনাইয়ে ভরে উঠেছে গঙ্গাপাড়ের শহর। সংখ্যায় কম হলেও হুগলির মতো হাওড়াতেও কয়েকটি বারোয়ারি জগদ্ধাত্রী পুজো হয়। সেগুলি বেশ নামকরা। এর মধ্যে ব্যাতাইতলা ও নীলমণি মল্লিক লেনের দু’টি পুজো নিয়ম-নিষ্ঠা মেনে হয়ে চলেছে বলে মানুষের বাড়তি আকর্ষণ রয়েছে।
ব্যাতাইতলা পল্লিবাসী বৃন্দের জগদ্ধাত্রী পুজো এবারে ৩৪তম বছরে পা দিল। ব্যাতাইতলা পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন এলাকায় এই পুজো শুরু করেছিলেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। মূলত চারবন্ধুর হাত ধরে শুরু হওয়া এই পুজো বর্তমানে এলাকার বাসিন্দারাই সামলাচ্ছেন। আগে মণ্ডপ তৈরি করে পুজো হলেও বছর দশেক আগে তৈরি হয় নতুন মন্দির। প্রতিবছর চন্দননগরের মৃৎশিল্পী এসে এখানেই তৈরি করেন প্রতিমা। দেবীর চালচিত্র, অলংকারে নিখুঁত শোলার কাজ ফুটিয়ে তোলা হয়। নবমীর দিন কুমারী পুজো দেখতে দূর দূরান্ত থেকে এসে ভিড় জমান ভক্তরা। হয় সন্ধিপুজো। ক্লাবের বর্তমান সদস্য রথীন্দ্রমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘নবমীতে দেবীকে মহাভোগ নিবেদন করা হয়। সেই ভোগ এলাকায় বিতরণ হয়।’ পাশাপাশি মধ্য হাওড়ার নীলমণি মল্লিক লেনের সবাই মিলে ক্লাব আয়োজিত জগদ্ধাত্রী পুজোও বেশ খ্যাত। এবার ৫৫তম বছর তাদের। সাবেকি রূপের প্রতিমা। মূর্তির শোলার কাজ প্রতিবারের মতো এবারও মুগ্ধ করবে দর্শনার্থীদের, দাবি কর্মকর্তাদের। - নিজস্ব চিত্র