নয়াদিল্লি: এক অধ্যাপিকার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে পূর্ব দিল্লিতে। শিবাজি কলেজের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন নিহত দেবস্মিতা পাল (৪২)। বসুন্ধরা এনক্লেভ নামে একটি আবাসনে একাই থাকতেন তিনি। বৃহস্পতিবার বিকেলে সেখানেই দেবস্মিতার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, বুধবারই খুন করা হয়েছে ওই অধ্যাপিকাকে। ঘটনার আগে মাস্ক পরিহিত এক মহিলা ও পুরুষকে ওই ফ্ল্যাটে ঢুকতে দেখা যায়। প্রায় আধঘণ্টা পর যখন তারা আবাসন থেকে বেরিয়ে যান, সেসময় তাঁদের পরনে ছিল অন্য পোশাক। স্বাভাবিকভাবেই আততায়ীদের পরিচয় নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, নিহত অধ্যাপকের দিদি দেবারতিই বন্ধ ফ্ল্যাটে দেবস্মিতার দেহ আবিষ্কার করেন। তিনিই পুলিশে খবর দেন। ঘটনাস্থলে আধিকারিকরা পৌঁছে দেখেন, বিছানায় পড়ে রয়েছে অধ্যাপিকার রক্তাক্ত দেহ। তার মাথায় ভোঁতা কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। দুই হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের ক্ষত মিলেছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। ঘরে জোর করে ঢোকার কোনো চিহ্ন মেলেনি। আততায়ীদের দেবস্মিতা চিনতেন বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি অধ্যাপিকার ঘর থেকে কোনো কিছু খোয়া যায়নি বলেও জানিয়েছে পুলিশ। দেবস্মিতার স্বামী থাকেন বেঙ্গালুরুতে। দাম্পত্য কলহের জেরে আলাদা থাকতেন ওই দম্পতি। খুনের ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে প্রতিবেশী ও পরিচারকদেরও।