Bartaman Logo
২৭ আগস্ট, ২০২৬

ভারত-পাকের সংঘর্ষ থামাতে ভূমিকা নেই ট্রাম্পের, দাবি প্রাক্তন সিডিএসের

অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো মধ্যস্থতা করেননি।

ভারত-পাকের সংঘর্ষ থামাতে ভূমিকা নেই ট্রাম্পের, দাবি প্রাক্তন সিডিএসের
  • ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো মধ্যস্থতা করেননি। এমনই দাবি ভারতের প্রাক্তন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহানের। টানা চারদিন দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ চলার পর গত বছর ১০ মে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু যুদ্ধরত দেশগুলির তরফে ঘোষণার আগেই ট্রাম্প জানিয়ে দেন, আমেরিকার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে ভারত এবং পাকিস্তান। প্রাক্তন সিডিএস জানিয়েছেন, দুই দেশের ডিরেক্টরস জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস (ডিজিএমও) সরাসরি আলোচনা করে যুদ্ধবিরতির জন্য সম্মত হয়েছিল। কোনো তৃতীয় পক্ষ এর মধ্যে ছিল না। মঙ্গলবার দিল্লির বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশন্যল ফাউন্ডেশনের একটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন চৌহান। তিনি বলেন, ‘ সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ পাকিস্তানের সঙ্গে ফোনে কথা হয়। সময়টা আমরাই ঠিক করেছিলাম। দুপুর তিনটে নাগাদ দুই দেশের কথা হওয়ার পর আমরা বিকেল ৫ট নাগাদ সংঘর্ষ বিরতির সময় চূড়ান্ত করি। এর বাইরে অন্য কারও কোনো ভূমিকা নেই।’ তাহলে ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির বিষয়টি জানলেন কীভাবে? কীভাবে এই খবর ফাঁস হল? এর জন্য পাকিস্তানের দিকেই আঙুল তুলেছেন চৌহান। তাঁর বক্তব্য, ‘এই বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই। আমাদের তরফে কোনো তথ্য ফাঁস হয়নি। ডিজিএমও স্তরের আলোচনা নিয়ে দুই দেশই গোপনীয়তা বজায় রেখেছিল।’ তবে পাকিস্তানের দিক থেকেই এই তথ্য ফাঁস হয়েছিল বলে সন্দেহ চৌহানের।

Advertisement

অপারেশন সিন্দুর চলাকালীন চীন কি পাকিস্তানকে ‘রিয়েল-টাইম’ গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছে? এই নিয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন সিডিএস। তিনি জানান, এই নিয়ে যে কোনো ধরনের আলোচনা ‘অনুমান’-এর পর্যায়েই পড়বে। চুক্তির কারণে পাক বিমান বাহিনীতে চীনা ইঞ্জিনিয়াররা উপস্থিত থাকতেই পারেন। ভারতও এমন চুক্তি করে। তবে, চীনের থেকে পাকিস্তানের গোয়েন্দা তথ্য নেওয়ার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেননি চৌহান। তিনি বলেন, ‘স্যাটেলাইট ছবি এখন কিনতে পারা যায়। আপনারা আমেরিকা থেকেও কিনতে পারেন, চীন থেকেও কিনতে পারেন। ফলে চীন কোনো সাহায্য করেনি বলা যায় না।’
পাকিস্তানের কিরানা পাহাড়ে পরমাণু কেন্দ্রের কাছে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত  ‘অনিচ্ছাকৃত’ বলেও ওই অনুষ্ঠানে দাবি করেন প্রাক্তন সিডিএস। তিনি জানান, অপারেশন সিন্দুরের সময় পাকিস্তানের সারগোদা এলাকায় রেডার ধ্বংস করতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র পাঠিয়েছিল ভারত। কিন্তু সেগুলি টার্গেট সেট করতে পারেনি। মিসাইলগুলির জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ায় কিরানা পাহাড়ে আছড়ে পড়ে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ