Bartaman Logo
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / ব্ল্যাকবোর্ড

তারিফ করু ক্যায়া উসকি  

আনন্দ হোক বা বেদনা— জীবনের প্রতি মুহূর্তের জন্য গান গেয়েছেন মহম্মদ রফি। গান তো নয়, যেন জাদু! মনকে বিবশ করে দেয়। ১৯৬৩ সাল। লন্ডনের স্কালা থিয়েটারে গান ধরেছেন রফি। নিমেষের মধ্যে তৈরি হল এক স্বর্গীয় পরিবেশ।

তারিফ করু ক্যায়া উসকি
 
  • ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
Prefer us on Google
আনন্দ হোক বা বেদনা— জীবনের প্রতি মুহূর্তের জন্য গান গেয়েছেন মহম্মদ রফি। 
Advertisement
গান তো নয়, যেন জাদু! মনকে বিবশ করে দেয়। ১৯৬৩ সাল। লন্ডনের স্কালা থিয়েটারে গান ধরেছেন রফি। নিমেষের মধ্যে তৈরি হল এক স্বর্গীয় পরিবেশ। গান শেষ হওয়ার পর তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এলেন এক শ্রোতা। তিনি অন্ধ। জগতের কোনও রং তাঁর চোখে ধরা পড়ে না। শিল্পীর হাত ধরে জানালেন 
নিজের মনের কথা। বললেন, এই কান যতদিন মহম্মদ রফির গান শুনবে, ততদিন চোখের 
কোনও প্রয়োজন পড়বে না। 
কথা আর সুরের মাধ্যমেই 
যেন সবকিছু দেখিয়ে দিলেন মহম্মদ রফি। 
সুনীল গাভাসকর থেকে জওহরলাল নেহরু—সকলেই মুগ্ধ ভক্ত ছিলেন মহম্মদ রফির গানের। ১৯৪৮ সালে গান্ধীজির স্মরণে একটি রেকর্ড প্রকাশিত হয়েছিল। তাতে গান গেয়েছিলেন রফি। সেই গান শুনে খুশি হয়েছিলেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। গান শোনার জন্য শিল্পীকে নিজের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন‌ তিনি। 
‘ইয়ে চাঁদ সা রোশন চেহরা...।’ ‘কাশ্মীর কি কলি’ সিনেমার এই গান আজও সমান জনপ্রিয়। পর্দায় শাম্মি কাপুর আর শর্মিলা ঠাকুরের অভিনয়। সঙ্গে রফির সেই বিখ্যাত লাইন—‘তারিফ করু ক্যায়া উসকি...।’ গানে প্রত্যেকবার এই লাইনটি বিভিন্ন মুডে গেয়েছেন রফি। অথচ প্রথমে এতে রাজি ছিলেন না সুরকার ওপি নায়ার। পরে শাম্মি-রফির কথায় তিনি রাজি হয়ে যান। বাকিটা ইতিহাস। আগামী কাল স্বর্ণযুগের এই চিরস্মরণীয় শিল্পীর জন্মশতবার্ষিকী।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ