Bartaman Logo
১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাঁকুড়ায় তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা গ্রেপ্তার

মারধরের পুরনো মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসির জেলা নেতা শ্যামসুন্দর দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ।

বাঁকুড়ায় তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা গ্রেপ্তার
  • ১৬ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: মারধরের পুরনো মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসির জেলা নেতা শ্যামসুন্দর দত্তকে গ্রেপ্তার করেছে বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ। গত এপ্রিল মাসে বাঁকুড়া শহরের লালবাজার এলাকায় ওই মারধরের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় বিজেপি সরকারের পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। যদিও বিজেপি এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। 
তৃণমূল সাংসদ সদস্য অরূপ চক্রবর্তী বলেন, ভোটে জেতার পর বিজেপি প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করেছে। মিথ্যা মামলায় আমাদের দলের শ্রমিক সংগঠনের নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। আমরা এর নিন্দা জানাচ্ছি। 
বিজেপির বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। পুলিশ আইনানুগ কাজ করছে। অপরাধ করে থাকলে তার শাস্তি হবে।  পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লালবাজারের ওই মারধরের ঘটনায় বাঁকুড়া সদর থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছিল। তাতে অবশ্য শ্যামসুন্দরবাবুর নাম ছিল না। পরে পুলিশ তদন্তে নেমে তৃণমূলের শ্রমিক নেতার নাম পায়। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। পরে ওই শ্রমিক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার বাঁকুড়া জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক শ্যামনসুন্দরকে ২০ মে পর্যন্ত জেল হেপাজতে রাখার নির্দেশ দেন। 
জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, শ্যামসুন্দরবাবু বিরুদ্ধে আপাতত খুনের চেষ্টা ও মারধরের ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখল, হুমকি দেওয়া সহ নানা অভিযোগ রয়েছে। সেইসব অভিযোগও আমরা খতিয়ে দেখছি। আগামী দিনে মামলায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সেই সংক্রান্ত ধারা যুক্ত করা হতে পারে।  উল্লেখ্য, রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই বাঁকুড়ায় পুলিশের সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। তৃণমূল জমানায় বাঁকুড়া শহরের এক নেতার কয়েকজন অনুগামী এলাকায় ত্রাসের সৃষ্টি করেছিল বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। ছাত্র, যুব ও মাদার সংগঠন করার সময় ওই নেতার ছত্রছায়ায় থেকে কয়েকজন তোলাবাজি, মারধর, হুমকির ঘটনায় অভিযুক্ত ছিল। তৃণমূল কাউন্সিলার ও তাঁদের পরিবারের লোকজনও এলাকায় রাহাজানি শুরু করেছিল। ওই সময় পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। রাজ্যে পট পরিবর্তনের পর অভিযুক্তদের অনেকেই পালিয়ে গিয়েছে। কয়েকজন মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে নিজেদের কার্যত ঘরবন্দি রেখে রেখেছে। পুলিশ তাদের মধ্যে কয়েকজনকে খুঁজছে। পুরানো মামলায় অনেককেই গরাদের পিছনে পাঠানো হতে পারে বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement

   

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ