Bartaman Logo
১৫ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হাওড়া সদরে সব আসনে রেকর্ড ব্যবধানে জয়ের আশায় তৃণমূল

নির্বাচন পর্ব শেষ। এবার ৪ মে’র জন্য অপেক্ষা। সেদিনই নির্ধারিত হবে প্রার্থীদের রাজনৈতিক ভাগ্য। তবে এবার বিধানসভা নির্বাচনে হাওড়া জেলাজুড়ে ঘাসফুলের হাওয়া আরও জোরদার হবে বলেই আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল শিবির।

হাওড়া সদরে সব আসনে রেকর্ড ব্যবধানে জয়ের আশায় তৃণমূল
  • ১ মে, ২০২৬ ১১:০৫
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: নির্বাচন পর্ব শেষ। এবার ৪ মে’র জন্য অপেক্ষা। সেদিনই নির্ধারিত হবে প্রার্থীদের রাজনৈতিক ভাগ্য। তবে এবার বিধানসভা নির্বাচনে হাওড়া জেলাজুড়ে ঘাসফুলের হাওয়া আরও জোরদার হবে বলেই আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল শিবির। হাওড়া সদরের আটটি কেন্দ্রেই রেকর্ড ব্যবধানে জয়ের আশা করছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। জয়ের পর কেউ মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতে চান, আবার কেউ ইতিমধ্যেই নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালনের জন্য পরিকল্পনা সাজাতে শুরু করেছেন। একুশের নির্বাচনে উত্তর হাওড়ায় ৫ হাজার ৫২২ ভোটে জয় পেয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী গৌতম চৌধুরী। এবার সেই ব্যবধান আট হাজার ছাড়িয়ে যাবে বলে তাঁর দাবি। পাশাপাশি, উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি সময় মতো শেষ করাকেই জয়ের প্রকৃত সার্থকতা বলে মনে করছেন মধ্য হাওড়ার তৃণমূল প্রার্থী অরূপ রায়। তাঁর দাবি, অন্তত ৫৫ হাজার ভোটে জিতবেন। শিবপুরের তৃণমূল প্রার্থী ডাঃ রানা চট্টোপাধ্যায়ের আশা, জয়ের ব্যবধান ২০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের জয় এখন সময়ের অপেক্ষা। জয়ের পর শিবপুরের সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করব।’ দক্ষিণ হাওড়াতেও অন্তত ৩০ হাজার ভোটে এগিয়ে থাকার দাবি করেছেন তৃণমূল প্রার্থী নন্দিতা চৌধুরী। অন্যদিকে, বালির তৃণমূল প্রার্থী কৈলাশ মিশ্র জয়ের ব্যবধান নিয়ে এখনই মন্তব্য করতে নারাজ। তাঁর কথায়, ‘কত ভোটে জিতব, তা মানুষই ঠিক করবেন। তবে ২৬ মাসের মধ্যে বালিকে শ্রেষ্ঠ বিধানসভা কেন্দ্রে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি পূরণ করাই আমার লক্ষ্য।’ সাঁকরাইলের প্রার্থী প্রিয়া পালের দাবি, জয়ের ব্যবধান ৩০ থেকে ৪০ হাজারের মধ্যে থাকবে। হাওড়া গ্রামীণের ডোমজুড় ও জগৎবল্লভপুর কেন্দ্রেও তৃণমূলের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী প্রার্থীরা। ডোমজুড়ের তাপস মাইতির কথায়, ‘মানুষ দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন। জয়ের ব্যবধান ৭০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।’ জগৎবল্লভপুরের সুবীর চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে জয়ের ব্যবধান আরও বাড়বে, অন্তত ৩০ হাজার ভোটে জয়ের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ