Bartaman Logo
৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ডোমকল-বহরমপুর রুটে বন্ধ থাকল ট্রেকার চলাচল

কম দূরত্বের রুটে দাপট ছিলই। এবার ডোমকল-বহরমপুরের মতো বেশি দূরত্বের রুটেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ই-রিকশ। আর তার জেরে লোকসান হচ্ছে বলে অভিযোগ তুললেন ট্রেকার মালিকরা।

ডোমকল-বহরমপুর রুটে বন্ধ থাকল ট্রেকার চলাচল
  • ৯ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ডোমকল: কম দূরত্বের রুটে দাপট ছিলই। এবার ডোমকল-বহরমপুরের মতো বেশি দূরত্বের রুটেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ই-রিকশ। আর তার জেরে লোকসান হচ্ছে বলে অভিযোগ তুললেন ট্রেকার মালিকরা। তাঁদের অভিযোগ, ট্যাক্স, রুট পারমিট সহ যাবতীয় খরচ করে ট্রেকার চালালেও ই-রিকশ’র দাপটে তাঁরা যাত্রী হারাচ্ছেন। এর প্রতিবাদে শনিবার তাঁরা ডোমকল-বহরমপুর রুটে ট্রেকার চলাচল বন্ধ রাখলেন তাঁরা। ট্রেকার মালিকদের হুঁশিয়ারি, রাজ্য সড়কে ই-রিকশ’র দাপট বন্ধ না হলে তাঁরা আরও বড় আন্দোলনে নামবেন। পুলিশ সূত্রে খবর, ট্রেকার মালিকদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করা হবে।

Advertisement

ট্রেকারে যাত্রী পরিবহণের জন্য বৈধ কমার্শিয়াল রেজিস্ট্রেশন, বাণিজ্যিক ড্রাইভিং লাইসেন্স, রুট পারমিট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, আপডেট ট্যাক্স রসিদ ও বিমা সহ নানা নথি প্রয়োজন। ট্রেকার মালিকদের দাবি, যাবতীয় নিয়ম মেনে ট্রেকার চালাতে গিয়ে বছরে ট্যাক্স, পারমিট সহ বিভিন্ন খাতে হাজার হাজার টাকা খরচ হয়। কিন্তু সেই একই রুটে কোনো নির্দিষ্ট অনুমোদন ছাড়াই ই-রিকশ উঠে পড়ছে। ফলে যাত্রী হারিয়ে তাঁদের লোকসানের মুখ দেখতে হচ্ছে। ডোমকল থেকে বহরমপুরের মতো দীর্ঘ রুটেও যাত্রী নিয়ে ছুটছে ই-রিকশ। ট্রেকার মালিকরা জানান, পাড়া-মহল্লায়, কিংবা গ্রামের ভিতরের রাস্তায় ই-রিকশ চলাচলে তাঁদের আপত্তি নেই। কিন্তু ট্রেকারের রুটে এসে যাত্রী তোলা বন্ধ করতে হবে। শনিবার ডোমকল ট্রেকার স্ট্যান্ড থেকে বহরমপুর রুটে ৩৫টি ট্রেকারের মধ্যে একটিও চলাচল করেনি। ফলে ওই রুটে যাতায়াতকারী মানুষকে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয়। ট্রেকার মালিকদের দাবি, অবিলম্বে রাজ্য সড়কে ই-রিকশ চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনকে পদক্ষেপ করতে হবে। নইলে আগামী দিনে তাঁরা আরও বড় আন্দোলনে নামবেন।
ডোমকল ট্রেকার মালিক অ্যাসোসিয়েশনের কর্মী ইমান বক্স খান বলেন, আমরা প্রতিবছর প্রায় ৫০-৬০হাজার টাকা ট্যাক্স ও বিভিন্ন পারমিট বাবদ খরচ করে বৈধ রুটে ট্রেকার চালাচ্ছি। অথচ কোনো রুট অনুমোদন ছাড়াই ই-রিকশ রাজ্য সড়কে উঠে যাত্রী তুলে নিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি পুলিশ-প্রশাসনকেও জানিয়েছি। আগামী দিনে পদক্ষেপ না করা হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।  ই-রিকশ চালক বরকত আলি বলেন, আমি ডোমকল থেকে জলঙ্গি রুটে গাড়ি চালাই। বহরমপুর রুটে যাই না। মাসে ১০হাজার টাকার কিস্তি দিতে হয়। তাই বাধ্য হয়েই মূল রাস্তায় ই-রিকশ চালাই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ