Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সালারে বুলডোজার আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা, রাস্তার দু’পাশ থেকে দখলদারদের সরে যেতে নির্দেশ

রাস্তার জায়গায় নতুন করে দোকান নয়। আবার থাকলেও তা সরিয়ে নিতে হবে। কারণ মুর্শিদাবাদের সালারকে যানজট মুক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পুলিশ, প্রশাসন

সালারে বুলডোজার আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা, রাস্তার দু’পাশ থেকে দখলদারদের সরে যেতে নির্দেশ
  • ২৫ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: রাস্তার জায়গায় নতুন করে দোকান নয়। আবার থাকলেও তা সরিয়ে নিতে হবে। কারণ মুর্শিদাবাদের সালারকে যানজট মুক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পুলিশ, প্রশাসন। সম্প্রতি পুলিশের তরফে ব্যবসায়ীদের সতর্কও করা হয়েছে। প্রশাসনের পাশে রয়েছে ব্যবসায়ী সমিতিও। এরপরেই এবার সালারেও বুলডোজার চলতে পারে বলে ব্যবসায়ীদের মনে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। 

Advertisement

কান্দি মহকুমার সবচেয়ে জমজমাট এলাকা সালার রেল স্টেশন ও  বাস টার্মিনাসের মধ্যবর্তী জায়গা। কিন্তু ওই দুই জায়গায় দিনের অধিকাংশ সময় যানজট লেগে থাকে। যানজটের কারণে অ্যাম্বুলেন্সও হাসপাতাল থেকে বেরোতে পারে না বলে জানান গাড়ি চালক নুরমান শেখ।
বাসিন্দারা জানান, সালারের বাস টার্মিনাস থেকে ১ নম্বর লেবেল ক্রসিং পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রাস্তার দু’পাশে অবৈধভাবে প্রচুর দোকান বসেছে। খাবারের দোকান থেকে শুরু করে ফলের দোকান, কাপড়ের দোকান, মিষ্টির দোকান, চশমার দোকান কী নেই সেখানে। ওই সব ব্যবসায়ীরা দোকানের ভিতর সহ বাইরের ফুটপাতেও বিভিন্ন সামগ্রী সাজিয়ে রাখছেন। ফলে রাস্তা হয়ে যাচ্ছে সংকীর্ণ। দোকানের সামনে বাইক ও টোটো রাখার অভিযোগ উঠেছে। 
তাই সমস্যার সমাধানে সম্প্রতি সালার থানার পুলিশ ও ব্যবসায়ী সমিতির তরফে দোকানদারদের সতর্ক করা হয়। সালারের ব্যবসায়ী সমিতির তরফে রাস্তার পাশ থেকে দোকান সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করে দু’দিন মাইকে প্রচারও করা হয়েছে। যদিও তাতে কোনো লাভ হয়েছে বলে মনে হয় না। রবিবারেও ওই এলাকায় গিয়ে দেখা গিয়েছে আগের মতোই ফুটপাতের উপর দোকান রয়ে গিয়েছে। স্থানীয় ফল ব্যবসায়ী মিন্টু শেখের কথায়, কোথায় যাবো বলতে পারেন? সারাদিন ফল বিক্রি করে যা রোজগার হয় তাতে সংসার খরচও ওঠে না। বাড়ির মেয়েদেরও হাতের কাজ করে রোজগার করতে হচ্ছে। এরপর দোকান ভেঙে দিলে কী হবে জানি না। এনিয়ে সালার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক চন্দন কাজী বলেন, আমরা উভয় সঙ্কটে পড়েছি। দোকান সরিয়ে নিলেও ওঁরা চরম আর্থিক সঙ্কটে পড়বেন। আবার দোকান সরিয়ে না নিলে এলাকা কোনোদিন যানজটমুক্ত হবে না। তাই প্রশাসনের সঙ্গে সহমত হয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ব্যবসায়ীরা যতটা সম্ভব নিজে থেকেই রাস্তার অংশ ছেড়ে দিয়ে সরে যান। আমরা একথা মাইকে প্রচারও করছি। 

সম্পর্কিত সংবাদ