নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: হাজিনগরের বিজেপি নেতা বিট্টু জয়সওয়াল তৃণমূলের যোগদানের পর আরও অনেকেই শিবির বদল করতে চাইছেন। ইতিমধ্যেই হালিশহর পুরসভার চেয়ারম্যান শুভঙ্কর ঘোষের কাছে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী ও নেতা তৃণমূলে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করে চিঠি পাঠিয়েছেন। অর্জুন সিংয়ের একসময়ের ‘স্বঘোষিত গড়’ বলে পরিচিত বারাকপুরে পদ্মপার্টির ভাঙন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জোড়াফুল শিবিরের খবর, গত লোকসভা নির্বাচনে যে বা যাঁরা বিজেপির হয়ে কাজ করেছেন, তাঁদের মধ্যে পরিচিত অনেকেই তৃণমূলে যোগদান করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। বীজপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ইতিমধ্যে দু’দফায় তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা। হাজিনগর উৎসব চলাকালীন গত শনি ও রবিবার এই যোগদান পর্ব সম্পন্ন হয়েছে। খুব শীঘ্রই আরও যোগদান হবে বলে তৃণমূলের সূত্রে জানা গিয়েছে। টিটাগড় থেকে কাঁচরাপাড়া পর্যন্ত অর্জুন সিং এর ঘর ভাঙ্গার জন্য পরিকল্পনা করেছে তৃণমূল। এমনকী দখলে থাকা ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রেও কয়েকজন বিজেপি নেতার তৃণমূলে যোগদানের প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের ধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই যোগাযোগ করছেন। তৃণমূলে আসতে চাইছেন। কাজ করতে চাইছেন। আমরা সবদিক খতিয়ে দেখেই তাঁদের গ্রহন করছি। অবশ্য তাকে খণ্ডন করে বিজেপি নেতারা জানিয়েছেন, ভয় দেখিয়ে কয়েকজনকে যোগদান করানো হচ্ছে। এতে বিজেপির সংগঠনে কোন প্রভাব পড়বে না।
Advertisement
কাঁচরাপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান কমল অধিকারী বলেন, বীজপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে বিজেপির সংগঠন প্রায় নেই বললেই চলে। যারা ছিল তাদের মধ্যে অনেকেই চলে আসছে। আমরা সবাই একসঙ্গেই কাজ করব। ২০২৬ সালে বিধানসভা ভোটে তৃণমূল খুব ভালো ফল করবে। নৈহাটির বিধায়ক সনৎ দে বলেছেন, অনেকেই যোগাযোগ করছেন। তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন। একই রকম ভাবে টিটাগড়েও বিজেপির সংগঠনের ভাঙ্গন ধরতে চলেছে। অর্জুন অনুগামীদের তৃণমূলে ঢুকিয়ে তাঁকে দুর্বল করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রের খবর।



