


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ভুয়ো ভোটার কার্ড ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের উপর চাপ আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। এই ইস্যুতে সংসদে সরব হবে ঘাসফুল শিবির। পাশাপাশি আগামী মঙ্গলবার সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে দলের সাংসদদের একটি প্রতিনিধি দল। সেখানে ডুপ্লিকেট এপিক কার্ডের বিষয়ে ত্রুটি শুধরোতে বলা হবে কমিশনকে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে তৃণমূল জানতে চাইবে, কেন এমন ঘটনা ঘটছে জেনেও এতদিন চুপ ছিল কমিশন? ডুপ্লিকেট কার্ড ইস্যুর সমস্যা আগামী তিন মাসের মধ্যে মেটানোর কথা জানিয়েছে কমিশন। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডুপ্লিকেট কার্ড ইস্যুতে সরব হতেই কমিশন নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হয়েছে।
তৃণমূলের অভিযোগ দেশজুড়ে ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর রয়েছে। বছরের পর বছর ডুপ্লিকেট নম্বরে ভুয়ো ভোট চলছে। তৃণমূলের এই অভিযোগ কার্যত মেনেই নিয়েছে কমিশন। তারা জানিয়েছে, ২০০০ সাল থেকে নতুন এপিক সিরিজ প্রদানের কাজ শুরু হওয়ার পরেই এ ধরনের ত্রুটির ঘটনা ঘটেছে। কিছু ইআরও সঠিক সিরিজ অনুসরণ না করার জন্যই এই ধরনের ত্রুটি। তবে আগামী তিন মাসের মধ্যে ভুল শুধরে নেওয়ার পাশাপাশি যাদের ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর রয়েছে, তাদের ন্যাশনাল ইউনিক নম্বর দেওয়া হবে। যদিও ঠিক কত সংখ্যায় এ ধরনের ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর রয়েছে তা স্পষ্ট করেনি কমিশন। তাই আগামী মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেসের ১০ সাংসদের একটি প্রতিনিধি দল বিকেল সাড়ে পাঁচটায় দিল্লির অশোকা রোডে নির্বাচন সদনে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের মুখোমুখি বসবেন। তৃণমূলের লোকসভার সংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যসভায় দলের নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন। শনিবার
ডেরেক জানিয়েছেন, ভুয়ো এপিক কার্ডের ইস্যুতে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোটা দেশের চোখ খুলে দিয়েছেন। কমিশন তিন মাসের মধ্যে ডুপ্লিকেট এপিক কার্ড শুধরে নেওয়ার কথা বলছে। কিন্তু কেন স্পষ্ট করছে না গোটা দেশে কত ভুয়ো কার্ড আছে?