চেন্নাই: মহাতারকাদের ব্যর্থতা ভুলিয়ে নাটকীয় জয় ভারতের। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়াদের হতাশা ছাপিয়ে তিলক ভার্মা ছিনিয়ে আনলেন দুরন্ত সাফল্য। শনিবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে চার বল বাকি থাকতে ২ উইকেটে জিতল ভারত (১৬৬-৮)। তিলক উপহার দিলেন ৫৫ বলে অপরাজিত ৭২ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস। এই জয়ের সুবাদে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল টিম ইন্ডিয়া। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ মঙ্গলবার রাজকোটে।
Advertisement
১৬৬ রানের টার্গেট তাড়া করে দুই ওপেনারকে শুরুতেই হারিয়েছিল ভারত। ইডেন ম্যাচের নায়ক অভিষেক শর্মা (১২) ও সঞ্জু স্যামসন (৫) ফেরেন দলীয় ১৯ রানের মধ্যে। আরও একবার ব্যর্থ হন ক্যাপ্টেন সূর্যকুমারও (১২)। নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকায় তিন ইনিংসে করেছিলেন মোট ২৬। আর এই সিরিজে দুই ম্যাচে সংগ্রহ ১২। তাঁর ক্রমাগত ব্যর্থতা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে।
রিঙ্কু সিংয়ের জায়গায় দলে আসা ধ্রুব জুরেলও (৪) হতাশ করলেন পাঁচে নেমে। হার্দিক পান্ডিয়া (৭) গতিতে বিভ্রান্ত হলেন। ৭৮ রানে পাঁচ উইকেট পড়ার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্টেডিয়ামে। টেনশনের চোরাস্রোত গ্রাস করে সমর্থকদের। তবে সেই পরিস্থিতিতে ত্রাতা হয়ে ওঠেন তিলক ভার্মা। তাঁকে কিছুটা সাহায্য করেন ওয়াশিংটন সুন্দর। দু’জনে মিলে ষষ্ঠ উইকেটে যোগ করেন মূল্যবান ৩৮ রান। সুন্দর করেন ২৬। অক্ষর প্যাটেল (২), অর্শদীপ সিং (৬) অবশ্য দ্রুত ফেরেন। প্রবল চাপের মুখে মাথা ঠান্ডা রেখে দলকে জয়ের স্টেশনে পৌঁছে দেন তিলক।
টসভাগ্য ইদানিং ভালো যাচ্ছে সূর্যর। এদিনও টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতে দু’বার ভাবতে হয়নি তাঁকে। আর সেই সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দিয়েই প্রথম ওভারে আঘাত হানেন অর্শদীপ। তিনি ফেরান ফিল সল্টকে (৪)। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে পড়তে থাকে উইকেট। নীতীশ রেড্ডির জায়গায় দলে আসা সুন্দর আক্রমণে এসেই নেন বেন ডাকেটের (৩) উইকেট। অধিনায়ক জস বাটলার একটা দিক আগলে রেখে টানতে থাকেন দলকে। তিনি করেন ৪৫। তবে অক্ষর প্যাটেলের শিকারে পরিণত হন তিনি। লিয়াম লিভিংস্টোনও (১৩) বাঁ-হাতি স্পিনারের শিকার। বরুণ চক্রবর্তীও ছিলেন ছন্দে। হ্যারি ব্রুক (১৩) ও জেমি ওভারটনকে (৫) বোল্ড করেন তিনি।
ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হারিয়ে থামল ১৬৫ রানে। অভিষেককারী জেমি স্মিথ (২২) আর ব্রাইডন কার্স (৩১) লড়াকু স্কোরে পৌঁছে দেন দলকে। ভারতীয় স্পিনারদের মধ্যে অক্ষর ও বরুণ দু’টি করে উইকেট নেন। একটি করে উইকেট সুন্দর ও অভিষেক শর্মার। তবে ইডেনের মতো এদিনও উইকেটহীন থাকলেন রবি বিষ্ণোই। অর্শদীপ অবশ্য দিলেন ৪০ রান। তবে হার্দিক ডেথ ওভারে নিয়ন্ত্রণের পরিচয় রাখলেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: ইংল্যান্ড ১৬৫-৯ (বাটলার ৪৫, ব্রাইডন ৩১, অক্ষর ২-৩২, বরুণ ২-৩৮)। ভারত ১৬৬-৮ (তিলক অপরাজিত ৭২, সুন্দর ২৬)। ভারত জয়ী ২ উইকেটে।
রিঙ্কু সিংয়ের জায়গায় দলে আসা ধ্রুব জুরেলও (৪) হতাশ করলেন পাঁচে নেমে। হার্দিক পান্ডিয়া (৭) গতিতে বিভ্রান্ত হলেন। ৭৮ রানে পাঁচ উইকেট পড়ার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্টেডিয়ামে। টেনশনের চোরাস্রোত গ্রাস করে সমর্থকদের। তবে সেই পরিস্থিতিতে ত্রাতা হয়ে ওঠেন তিলক ভার্মা। তাঁকে কিছুটা সাহায্য করেন ওয়াশিংটন সুন্দর। দু’জনে মিলে ষষ্ঠ উইকেটে যোগ করেন মূল্যবান ৩৮ রান। সুন্দর করেন ২৬। অক্ষর প্যাটেল (২), অর্শদীপ সিং (৬) অবশ্য দ্রুত ফেরেন। প্রবল চাপের মুখে মাথা ঠান্ডা রেখে দলকে জয়ের স্টেশনে পৌঁছে দেন তিলক।
টসভাগ্য ইদানিং ভালো যাচ্ছে সূর্যর। এদিনও টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতে দু’বার ভাবতে হয়নি তাঁকে। আর সেই সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দিয়েই প্রথম ওভারে আঘাত হানেন অর্শদীপ। তিনি ফেরান ফিল সল্টকে (৪)। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে পড়তে থাকে উইকেট। নীতীশ রেড্ডির জায়গায় দলে আসা সুন্দর আক্রমণে এসেই নেন বেন ডাকেটের (৩) উইকেট। অধিনায়ক জস বাটলার একটা দিক আগলে রেখে টানতে থাকেন দলকে। তিনি করেন ৪৫। তবে অক্ষর প্যাটেলের শিকারে পরিণত হন তিনি। লিয়াম লিভিংস্টোনও (১৩) বাঁ-হাতি স্পিনারের শিকার। বরুণ চক্রবর্তীও ছিলেন ছন্দে। হ্যারি ব্রুক (১৩) ও জেমি ওভারটনকে (৫) বোল্ড করেন তিনি।
ইংল্যান্ড শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হারিয়ে থামল ১৬৫ রানে। অভিষেককারী জেমি স্মিথ (২২) আর ব্রাইডন কার্স (৩১) লড়াকু স্কোরে পৌঁছে দেন দলকে। ভারতীয় স্পিনারদের মধ্যে অক্ষর ও বরুণ দু’টি করে উইকেট নেন। একটি করে উইকেট সুন্দর ও অভিষেক শর্মার। তবে ইডেনের মতো এদিনও উইকেটহীন থাকলেন রবি বিষ্ণোই। অর্শদীপ অবশ্য দিলেন ৪০ রান। তবে হার্দিক ডেথ ওভারে নিয়ন্ত্রণের পরিচয় রাখলেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: ইংল্যান্ড ১৬৫-৯ (বাটলার ৪৫, ব্রাইডন ৩১, অক্ষর ২-৩২, বরুণ ২-৩৮)। ভারত ১৬৬-৮ (তিলক অপরাজিত ৭২, সুন্দর ২৬)। ভারত জয়ী ২ উইকেটে।



