Bartaman Logo
৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অফিস ভাড়া নিয়ে গ্রাফিক্সের কাজের আড়ালে প্রতারণা, অশোকনগরে পুলিশের জালে তিন

গ্রাফিক্সের আড়ালে গোপনে চলছিল ভুয়ো কল সেন্টার। অশোকনগরের সেই কল সেন্টারের মাধ্যমেই ছড়ানো হচ্ছিল প্রতারণার জাল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে এই চক্রের হদিশ পেল বারাসত সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

অফিস ভাড়া নিয়ে গ্রাফিক্সের কাজের আড়ালে প্রতারণা, অশোকনগরে পুলিশের জালে তিন
  • ১৫ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: গ্রাফিক্সের আড়ালে গোপনে চলছিল ভুয়ো কল সেন্টার। অশোকনগরের সেই কল সেন্টারের মাধ্যমেই ছড়ানো হচ্ছিল প্রতারণার জাল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে এই চক্রের হদিশ পেল বারাসত সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতরা হল সৈকত দাশগুপ্ত, শান্তনু পাল ও বিশ্বজিৎ রায়। পুলিশের অনুমান, এই তিনজন প্রতারণা চক্রের মাথা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে অশোকনগর থানার চৌরঙ্গি এলাকার একটি আবাসনে আচমকা অভিযান চালায় সাইবার ক্রাইম থানার অফিসাররা। বহুদিন ধরেই ওই অফিসের কার্যকলাপ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল পুলিশের। নির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পর সেখানে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হয়। অভিযানের সময় অফিসের ভিতরে একাধিক যুবক-যুবতীকে কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন নিয়ে কাজ করতে দেখা যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেতেই তাদের মধ্যে হইচই শুরু হয়ে যায়। পুলিশ মোট ১৭ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। দীর্ঘ জেরার পর তাদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে দু’টি ল্যাপটপ, একটি হার্ডডিস্ক, ১০টি মোবাইল ফোন ও একাধিক এটিএম কার্ড। তদন্তকারীদের ধারণা, এই সমস্ত ডিভাইস ব্যবহার করেই প্রতারণার জাল বিছিয়েছিল জালিয়াতরা। 

Advertisement

বিল্ডিং মালিকের ভাই সন্দীপ পালের দাবি, দেড় বছর আগে এক ব্যক্তি গ্রাফিক্সের কাজ করার কথা বলে অফিসটি ভাড়া নেন। শুরুতে সেখানে গ্রাফিক্সের কাজ চলত। মাঝে ক’দিন বন্ধ ছিল। সম্প্রতি নতুন করে অফিসটি চালু হয়। তখন থেকেই সেখানে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পুলিশের দাবি, গত তিন-চার মাস ধরে অফিসের কর্মীদের গতিবিধি ক্রমশ সন্দেহজনক হয়ে উঠছিল। এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ