Bartaman Logo
১৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ময়নাগুড়িতে এটিএম লুটে ধৃতরা ‘পাকা দুষ্কৃতী’, তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ময়নাগুড়ির বোলবাড়ি এলাকায় এটিএম লুটের রহস্যের কিনারা। ঘটনার এক দিনের মধ্যেই সাফল্য পেল পুলিস। এটিএম লুটের অভিযোগে অসলুফ খান, শামসের খানকে পাকড়াও করা হয়েছে।

ময়নাগুড়িতে এটিএম লুটে ধৃতরা ‘পাকা দুষ্কৃতী’, তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
  • ১৫ জুন, ২০২৫ ১৯:০৬
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি ও নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ময়নাগুড়ির বোলবাড়ি এলাকায় এটিএম লুটের রহস্যের কিনারা। ঘটনার এক দিনের মধ্যেই সাফল্য পেল পুলিস। এটিএম লুটের অভিযোগে অসলুফ খান, শামসের খানকে পাকড়াও করা হয়েছে। ধৃতদের একজনের বাড়ি হরিয়ানা ও অপরজন বিহারের বাসিন্দা।

Advertisement

পুলিসের তথ্য বলছে, উভয়ের বিরুদ্ধেই এর আগেও একাধিক রাজ্যে এটিএম-এ চুরির অভিযোগ রয়েছে। ২০১৬ সালে কেরলে, ২০২২ সালে উত্তর প্রদেশ এবং সম্প্রতি রায়গঞ্জে এটিএম-এ লুটের ঘটনায় অভিযুক্তরা জড়িত বলে জানা গিয়েছে। 

অভিযুক্তদের কাছ থেকে পুলিস প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে। তবে ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে বলে জানা গিয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ২ অভিযুক্তের সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিল বলে অনুমান পুলিসের। বর্তমানে তাদের খোঁজেই বৈকণ্ঠপুর জঙ্গলে চলছে চিরুনি তল্লাশি।

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, এটিএম লুটের ঘটনায় ধৃত দুষ্কৃতীরা নিজেদের দিল্লি পুলিসের কনস্টেবল বলে পরিচয় দিয়েছিল। তারপর তদন্তের নাম করে ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তির কাছ থেকে এটিএম খোলার কার্ড হাতিয়ে নেয় তারা। ওই কার্ড দিয়ে এটিএম খুলে মোট ৫৪ লক্ষ টাকা লুট করে।ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত যে ব্যক্তির কাছ থেকে এটিএম খোলার দুটি কার্ড হাতিয়ে নিয়েছিল দুষ্কৃতীরা, তিনি অবশ্য পুলিসের কাছে ইতিমধ্যেই অভিযোগ জানিয়েছেন।

ধৃতদের এদিন জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে তোলা হয়। তদন্তের স্বার্থে তাদের ১৪ দিন হেফাজতে চায় পুলিস। আদালত ১০ দিন পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। জানিয়েছেন মামলার সরকার পক্ষের আইনজীবী সৌম্য চক্রবর্তী। তিনি বলেন, লুট হওয়া টাকার অনেকটা উদ্ধার করেছে পুলিস। এখনও অনেক টাকা উদ্ধার হতে বাকি। সেই টাকা উদ্ধারের পাশাপাশি ধৃতদের সঙ্গে কাদের যোগ রয়েছে, সেটাই এখন খুঁজে বের করা দরকার। সেকারণেই তদন্তের স্বার্থে ধৃতদের এদিন হেফাজতে চাওয়া হয় পুলিসের তরফে। আদালত ১০ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। সরকার পক্ষের আইনজীবী বলেন, যে ব্যক্তির কাছ থেকে এটিএম খোলার দুটি কার্ড হাতিয়ে নেয় দুষ্কৃতীরা, তিনি ব্যাঙ্কের সঙ্গে সম্পর্কিত, এতটুকুই অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন তিনি। ঘটনাটি ঠিক কী ঘটেছিল, তদন্ত এগলেই জানা যাবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ