নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: গত কয়েক বছর ধরে হাওড়া শহরের বেশ কয়েকটি বারোয়ারি জগদ্ধাত্রী পুজো দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে। এবার সপ্তাহান্তে পড়েছে নবমী। ছুটি থাকার সুযোগে প্রচুর মানুষ ভিড় করে দেখতে এলেন মধ্য হাওড়া ও শিবপুরের পুজো।
Advertisement
দাসনগর সমাজসেবী সঙ্ঘের জগদ্ধাত্রী পুজো এবারে ৪৪ বছরে পা দিয়েছে। এখানে ২৪ ফুট উচ্চতার প্রতিমা। মূর্তিতে সাদা শোলার কাজ নজর কাড়ছে সবার। মণ্ডপে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বাহারি কারুকাজ। পুজো কমিটির সম্পাদক প্রভাস হাজরা বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে পুজো দেখতে বহু মানুষ আসছেন। পুজো উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কাজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।’ শিবপুরের পাতিপাড়া তিব্বতি বাবা স্মৃতি মন্দিরের জগদ্ধাত্রী পুজো এ বছর ৩৫ বছরে পদার্পণ করেছে। পুজো উপলক্ষ্যে প্রায় চার হাজার মানুষ অন্নকূট উৎসব পালন করেন। একসঙ্গে বসে পাত পেড়ে খান বহু মানুষ। পাশাপাশি এই বারোয়ারির অন্যতম আকর্ষণ আতশবাজির খেলা। পুজোর অন্যতম উদ্যোক্তা সৌরভ দে সরকার বলেন, ‘আগে বিভিন্ন ধরনের আতশবাজি পোড়ানো হতো। সরকারি বিধি মেনে এখন গ্রিন আতশবাজি ব্যবহার করা হয়।’ নবমীর সন্ধ্যায় হাওড়া শহরের বিভিন্ন জগদ্ধাত্রী পুজোর মণ্ডপগুলিতে ঘুরেছেন বহু মানুষ। কম বাজেটের পুজো হলেও মধ্য হাওড়ার সবাই মিলে ক্লাবের জগদ্ধাত্রী দেখতে এবার দর্শনার্থীদের ভিড় বেশি। তার অন্যতম কারণ এখানকার প্রতিমার নজরকাড়া সাবেকি রূপ। এই অঞ্চলের মঙ্গল কামনায় ৫৪ বছর আগে এই পুজো শুরু করেছিলেন স্থানীয় কয়েকজন প্রবীণ।
পুজো কমিটির সদস্য সৌমেন ঘোষ বলেন, ‘ঐতিহ্যকে ধরে রাখাই আমাদের পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। থিমের চমক না থাকলেও এখানকার পুজো দেখতে মানুষের ভিড় জমে।’
পুজো কমিটির সদস্য সৌমেন ঘোষ বলেন, ‘ঐতিহ্যকে ধরে রাখাই আমাদের পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। থিমের চমক না থাকলেও এখানকার পুজো দেখতে মানুষের ভিড় জমে।’



