


সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, বারাকপুর: শহরাঞ্চলে থাকবে না উন্মুক্ত শৌচালয়। প্রয়োজনে তৈরি করতে হবে কমিউনিটি টয়লেট। স্বচ্ছ ভারত মিশন প্রকল্পের এই ছিল লক্ষ্য। সেই মতো প্রতিটি পুরসভায় কাজ হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিরা সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন, রাজ্যের ১২৮টি পুরসভার মধ্যে ৯৪টিতে খোলা বা উন্মুক্ত শৌচালয় নেই। তাই এই ৯৪টি পুরসভাকে ‘ওডিএফ প্লাস’ বা উন্মুক্ত শৌচমুক্ত পুরসভা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই পুরসভাগুলিকে সাফল্যের স্বীকৃতিও দেওয়া হয়েছে। পুরসভাগুলির তালিকা পুরদপ্তরে এসে পৌঁছেছে এবং সংশ্লিষ্ট পুরসভাকে তাদের সার্টিফিকেট পাঠানোর কাজও হয়ে গিয়েছে বলে খবর। এছাড়াও, রাজ্যের সাতটি পুরসভা পেয়েছে ‘ওডিএফ’ সম্মান। সেগুলি হল ফালাকাটা, দার্জিলিং, বালি, জলপাইগুড়ি, ময়নাগুড়ি, উত্তর দমদম এবং ঝালদা।
‘ওডিএফ প্লাস’ পেয়েছে যারা, তার মধ্যে রয়েছে আলিপুরদুয়ার ও বাঁকুড়া জেলার তিনটি, বীরভূম জেলার ছ’টি, কোচবিহারে পাঁচটি, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং দার্জিলিঙে একটি করে, হুগলি জেলায় ১০টি, হাওড়ায় দু’টি, জলপাইগুড়ি ও ঝাড়গ্রাম জেলায় একটি করে, মালদহে দু’টি, মুর্শিদাবাদ জেলায় চারটি, নদীয়ায় আটটি, উত্তর ২৪ পরগনায় ২১টি, পশ্চিম মেদিনীপুরে সাতটি, পূর্ব বর্ধমানে ৫টি, পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পাঁচটি, উত্তর দিনাজপুরে চারটি, পুরুলিয়াতে একটি পুরসভা রয়েছে। এই সম্মান পেয়েছে কলকাতা পুরসভাও।
এই সাফল্যের বিষয়ে রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘কেন্দ্রের সার্টিফিকেটই প্রমাণ করে, বাংলার পুরসভাগুলি কতটা ভালো কাজ করছে। পরিবেশ সচেতনতার জন্য তারা সঠিক পথেই রয়েছে। বাকি পুরসভাগুলিকেও আমরা উন্মুক্ত শৌচমুক্ত এলাকার বিষয়ে জোর দিতে বলেছি।’ এরপর রাজ্যের কর্মসংস্কৃতি নিয়ে সমালোচনা বিজেপি নেতাদের মুখে মানাবে না বলেও খোঁচা দিয়েছেন তিনি।