নয়াদিল্লি: অযোধ্যার রামমন্দিরে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি। কাদের মদতে, কীভাবে চলত প্রণামি চুরির চক্র? উত্তর খুঁজতে তদন্ত করছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। ইতিমধ্যেই আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, ট্রাস্টের বেশ কিছু কর্মকর্তা ও মন্দিরের বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত সরকারি আধিকারিকরাও তদন্তকারীদের স্ক্যানারে রয়েছেন। মন্দিরের জন্য জমি কেনা বা নির্মাণের সময় তাঁদের লেনদেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর।
তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, মন্দির প্রণামি তছরূপের অভিযোগে ধৃত আট জনের মধ্যে ৬ জনের বিরুদ্ধেই চুরির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় তাঁদের প্রণামির টাকা পকেট, পোশাক ও জুতোয় লুকিয়ে ফেলতে দেখা গিয়েছে। পাশাপাশি মন্দিরের দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদেরও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, কমবেশি ৫০ জন কর্মী মন্দিরের প্রণামি গোনার দায়িত্বে ছিলেন। তাঁদের নিয়োগের সুপারিশ করেছিল ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত কর্তাব্যক্তি ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা। এই কর্মীদের মধ্যে কারও সম্পদ ফুলেফেঁপে উঠেছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে সোমবার (২০ জুলাই) রাম মন্দির সংক্রান্ত একগুচ্ছ মামলার শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। মামলা শুনবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বি মোহানার বেঞ্চ। এদিনই শীর্ষ আদালতে অর্ন্তবর্তী তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা সিটের। পাশাপাশি এই মামলায় নোটিস দেওয়া হয়েছিল শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টকেও। এদিকে, সংসদের অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার হতে চলেছে বিরোধী শিবির।