


নয়াদিল্লি: ট্রিমারে ছাঁটা দাড়ি। চড়া রোদে ঝকমকিয়ে উঠছে কানের দুল। বডি ল্যাঙ্গুয়েজে দুরন্ত আত্মবিশ্বাস। আইপিএল ফাইনালে ফর্মের তুঙ্গে থাকা শ্রেয়স আয়ারই পাঞ্জাবের আসল কিং। রবিবার দ্বিতীয় প্লে-অফে প্রায় একার হাতে শেষ করেছেন মুম্বইকে। আমেদাবাদের চড়া গরম ব্লটিং পেপারের মতো শুষে নিয়েছে এনার্জি। তবে শ্রেয়স ক্লান্তিহীন। পাঞ্জাব অধিনায়কের মন্তব্য, ‘মাত্র ৪ ঘণ্টা ঘুমিয়েছি। কিন্তু অজুহাতের জায়গা নেই। এখনও অর্ধেক কাজ বাকি। গোটা দলের নজর খেতাবের দিকে।’ মঙ্গলবার জিতলে অধিনায়ক হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল ট্রফির স্বাদ পাবেন শ্রেয়স। পাশাপাশি, কোটিপতি লিগে এই নিয়ে তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে ফাইনালে তুললেন তিনি। দিল্লি ক্যাপিটালস, কেকেআরের পর এবার পাঞ্জাব। শ্রেয়স বোধহয় নিজেকেও ছাপিয়ে যাচ্ছেন। নাইটদের তথাকথিত বোদ্ধা থিঙ্কট্যাঙ্ক নিশ্চয়ই এখন হাত কামড়াচ্ছে। মোতেরায় শ্রেয়সের ব্যাট থেকে উড়ে যাওয়া ছক্কাগুলো আসলে কেকেআর থিঙ্কট্যাঙ্কের গালে এক একটা থাপ্পড়।
গত ম্যাচে তাঁর ৪১ বলে অপরাজিত ৮৭ রানের বিস্ফোরক ইনিংস কী আইপিএলের অন্যতম সেরা? চুলচেরা বিশ্লেষণে মেতেছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে মিস্টার আয়ার নির্বিকার। নিরুত্তাপও বটে। যেন কিছুই করেননি। বলেছেন, ‘চাপের মুখে ব্যাট করতে ভালোবাসি। নিজের দায়িত্বটুকু ঠিকঠাক পালন করতে পেরেই খুশি।’ ২২ গজের বাইরেও শ্রেয়স অনেক পরিণত। বরং তাঁর হয়ে ধুন্ধুমার ব্যাট করছেন প্রাক্তনরা। ইংল্যান্ড সিরিজের দলে জায়গা হয়নি শ্রেয়সের। প্রাক্তন অজি অধিনায়ক রিকি পন্টিং ক্ষুব্ধ। নাম না করেই একহাত নিচ্ছেন ভারতীয় নির্বাচকদের। পন্টিং বলেছেন, ‘শ্রেয়সকে ভারতীয় দলে না দেখে বিস্মিত। তবে প্রতিটা রান বঞ্চনার জবাব।’