Bartaman Logo
৮ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ইরানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ৮১টি যুদ্ধবিমান হারিয়েছে আমেরিকা, ক্ষতির পরিমাণ ৩৩০ কোটি ডলার

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে নেমে বিপুল পরিমাণ ক্ষতির মুখে পড়েছে আমেরিকা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কমপক্ষে ৮১টি যুদ্ধবিমান।

ইরানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ৮১টি যুদ্ধবিমান হারিয়েছে আমেরিকা, ক্ষতির পরিমাণ ৩৩০ কোটি ডলার
  • ৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ওয়াশিংটন: ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে নেমে বিপুল পরিমাণ ক্ষতির মুখে পড়েছে আমেরিকা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কমপক্ষে ৮১টি যুদ্ধবিমান। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তালিকায় রয়েছে এফ-৩৫এ লাইটনিং ২ স্টেল্‌থ ফাইটার, এফ-১৫, এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন। সব মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির অঙ্কটা প্রায় ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার! মার্কিন কংগ্রেসের সাম্প্রতিক রিসার্চ সার্ভিস রিপোর্টে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন এবিষয়ে এখনও মন্তব্য করেনি।

Advertisement

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে আমেরিকা। নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। যুদ্ধে ট্রাম্পের দেশকে সঙ্গ দেয় ইজরায়েল। পালটা হামলা চালায় তেহরানও। পশ্চিম এশিয়ায় বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি আক্রমণ করে পেজেশকিয়ান বাহিনী। মাঝে কয়েকবার যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় দু’পক্ষ। তবে সংঘর্ষ থামেনি। এরইমধ্যে যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে মার্কিন কংগ্রেস। রিপোর্টের নাম, ‘ইউএস এয়ারক্রাফ্ট কমব্যাট ড্যামেজ ইন অপারেশন ফিউরি: কনসিডারেশনস ফর কংগ্রেস’। সেখানে লেকা হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক অভিযানে একাধিক যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, ড্রোন হারিয়েছে মার্কিন সেনা। জানা গিয়েছে, ১২টি এফ-১৫ই, দু’টি এ-১০ থান্ডারবোল্ট ২, সাতটি কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার রিফুয়েলিং এয়ারক্রাফ্ট ধ্বংস হয়েছে। একইসঙ্গে ৪৫টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হারিয়েছে ট্রাম্পের দেশ। গত ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জর্ডনের মুওয়াফ্ফক সালতি বিমান ঘাঁটিতে আকাশপথে হামলা চালায় ইরান। ঘটনায় কমপক্ষে আটটি এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জানা গিয়েছে, এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দাম ৩ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। অন্যদিকে, পঞ্চম প্রজন্মের এফ-৩৪এ যুদ্ধবিমানের খরচ প্রায় ১০ কোটি ডলার। সমরাস্ত্রের খরচ প্রতি মাসে লাফিয়ে বাড়ছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, অস্ত্রের ঘাটতি মেটাতে কমপক্ষে তিন বছর লাগবে। এহেন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিমানের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে রীতিমতো চাপে রয়েছে ওয়াশিংটন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ