কাজল মণ্ডল, ইসলামপুর: স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, ‘কর্মই ধর্ম’। শ্রীকৃষ্ণেরও বাণীর সহজ অর্থ, কর্ম করে যাও, ফলের চিন্তা করো না। দু’জনেরই উক্তির সামগ্রিক অর্থ, ফলের চিন্তা না করে বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করাই ধর্ম।
কাজল মণ্ডল, ইসলামপুর: স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, ‘কর্মই ধর্ম’। শ্রীকৃষ্ণেরও বাণীর সহজ অর্থ, কর্ম করে যাও, ফলের চিন্তা করো না। দু’জনেরই উক্তির সামগ্রিক অর্থ, ফলের চিন্তা না করে বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করাই ধর্ম।
এই মহান ভাবনাকে সমাজে ছড়িয়ে দিতে এবার ডালখোলা শহরের সুভাষপল্লি সর্বজনীন দুর্গাপুজোর থিম ‘কর্মই ধর্ম’। সমাজের প্রত্যেক স্তরের মানুষের কর্ম অর্থাৎ জীবিকাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। মানুষ নিজের কর্ম অর্থাৎ জীবিকার মাধ্যমে অন্যের প্রয়োজন মিটিয়ে মহান কাজ করছেন। এই থিমকে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।এই পুজো কমিটির সভাপতি ডালখোলা পুরসভার চেয়ারম্যান স্বদেশ সরকার, সম্পাদক হয়েছেন কাউন্সিলার রাকেশ সরকার ওরফে পিকলু। গত মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চুয়ালি পুজোর উদ্বোধন করেছেন। স্বদেশ বলেন, পুজোর দিনগুলি সকলের আনন্দে কাটুক, মায়ের কাছে এই কামনাই করব। দেবী এখানে সিংহবাহিনী রূপে নয়, গৃহিণী রূপে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র। গোটা মণ্ডপ জুড়ে বসবে বাজার। এই বাজারের নাম দেওয়া হয়েছে মা অন্নপূর্ণা বাজার। কলকাতার শিল্পী অর্ধেন্দু পাল পুরো থিম সাজিয়ে তুলছেন। তিনি জানান, মণ্ডপের ভিতরে ৩২ টি দোকান বা স্টল হবে। মণ্ডপে ঢুকতেই প্রথমে থাকবে চায়ের দোকান। দোকানদার চা তৈরিতে ব্যস্ত। একজন খবরের কাগজ পড়ছেন। এরপর ১০ টি সবজির দোকান। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নামে মুদি দোকান, ফুল বিক্রেতা, প্রজাপতি কার্যালয়, রাজুর পরোটা, দর্জির দোকান, বয়ষ্কদের আড্ডা জোন থাকবে। পুজো কমিটির কার্যকরী সভাপতি প্রীতম ঘোষ বলেন, এবার আমাদের পুজো ৬৮ তম বর্ষে পড়ল। বাজেট ১২ লক্ষ। এই থিম সামাজিক বার্তা দেবে,-কোনও কাজই ছোট নয়। প্রতিটি কাজই সমাজের কল্যাণসাধন করে। সেজন্য অন্নপূর্ণা বাজারের দেখা যাবে নানান কর্মে ব্যস্ত মানুষ। আলোকসজ্জাও দর্শনার্থীদের মন ছুঁয়ে যাবে। পুজোর কয়েকটা দিন সকলের জন্য প্রসাদের ব্যবস্থা থাকছে। সম্পাদক রাকেশ সরকার বলেন, পুজোর পাশাপাশি আমরা বেশকিছু সামাজিক বার্তাও দেব। নিজস্ব চিত্র