ভেসে গেল ‘সুন্দরবন’। তবে এটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন নয়। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের বোয়ালমারি নন্দনপুর পঞ্চায়েতের একটি ছোট্ট গ্রাম। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন সহ পার্শ্ববর্তী বেশ কয়েকটি জেলা থেকে একদল মানুষজন ওই গ্রামে এসে বসবাস শুরু করেছেন। এর থেকেই ওই গ্রামের নাম হয়েছে ‘সুন্দরবন’। কিন্তু প্রবল বর্ষণের জেরে বিপন্ন সেই গ্রাম। প্রায় ১০০-এর উপরে ঘর রয়েছে। তারা তিস্তার মধ্যেই চাষাবাদ করেন। সেই চাষাবাদের উপর নির্ভর করে গোটা গ্রামের সারা বছর চলে। কিন্তু বছরের প্রথমেই সেই সবুজ ধান, থেকে শুরু করে বিভিন্ন সব্জি তলিয়ে নিয়ে চলে গিয়েছে বন্যা। সুন্দরবন থেকে আসা মানুষগুলো তিস্তা চরের জমিতে চাষাবাদ করে দিন গুজরান করেন। কেউ ধান চাষ করেন, কেউবা সব্জি ফলান। বিপর্যয়ের জেরে সেসব জলে তলিয়ে গিয়েছে। ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। সুন্দরবন থেকে জীবিকার সন্ধানে তিস্তার চরে আসা মানুষগুলো এখন আশ্রয়হীন। মাথাগোঁজার ঠাঁই হারানোয় তিস্তার বাঁধের উপর আশ্রয় নিয়েছেন তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের আসল গ্রামে ফিরে যাবেন নাকি এখানেই রয়ে যাবেন, সেটাই ভেবে উঠতে পারছেন না ওঁরা।



