Bartaman Logo
৩০ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাঁকুড়ায় ট্রাক্টর পিছু বালির দর বেঁধে দিল ১২০০ টাকা, প্রশাসন, খাদান মালিক ও বিধায়কদের আলোচনায় সিদ্ধান্ত

বাঁকুড়ায় ট্রাক্টর পিছু বালির দাম ১২০০টাকা বেঁধে দেওয়া হল। খাদান মালিক, প্রশাসনের আধিকারিক ও বিধায়করা আলোচনা করে ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন

বাঁকুড়ায় ট্রাক্টর পিছু বালির দর বেঁধে দিল ১২০০ টাকা, প্রশাসন, খাদান মালিক ও বিধায়কদের আলোচনায় সিদ্ধান্ত
  • ২৯ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বাঁকুড়ায় ট্রাক্টর পিছু বালির দাম ১২০০টাকা বেঁধে দেওয়া হল। খাদান মালিক, প্রশাসনের আধিকারিক ও বিধায়করা আলোচনা করে ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এক ট্রাক্টর বালির জন্য ঘাটে ১২০০টাকা নেওয়া হবে। তবে বহন খরচ আলাদা। এরফলে আবাস যোজনার উপভোক্তারা উপকৃত হবেন বলে ওয়াকিবহাল মহলের অভিমত।

Advertisement

বাঁকুড়ার বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা বলেন, খাদানে এক ট্রাক্টর বালি ১২০০টাকায় পাওয়া যাবে। বালির দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা জেলা প্রশাসন ও ভূমি দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলাম। দলের তরফেও ভূমি দপ্তরে লিখিতভাবে দাম কমানোর দাবি জানানো হয়। খাদান মালিকরাও এব্যাপারে রাজি হয়েছেন। এক খাদান মালিক বলেন, ট্রাক্টরের পাশাপাশি ডাম্পার পিছু বালির দাম অন্তত ১০হাজার টাকা কমানোর জন্য প্রশাসনের তরফে আমাদের বলা হয়েছে। ওই বিষয়টি নিয়েও আমরা আলোচনা করছি। জেলায় ৫০টি বালিঘাট রয়েছে। ফলে কেউ একা সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। সকলে মিলে আলোচনা করে এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এক ট্রাক্টর বালির দর বাঁকুড়ায় ৫-৬ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল। তারফলে মধ্যবিত্ত ও আবাসের উপভোক্তারা চরম সমস্যায় পড়েছিলেন। বালি কিনতেই তাঁদের পকেট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছিল। বাড়ি তৈরির জন্য অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী কিনতে তাঁদের সমস্যা হচ্ছিল। সিমেন্ট, রড প্রভৃতি নির্মাণ সামগ্রীর দাম কমানো জেলা প্রশাসনের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে জেলায় তোলা বালির দামে রাশ টানা প্রশাসনের পক্ষে সম্ভব। ফলে বালির দাম কমানোর দাবি ওঠে। নবগঠিত বিজেপি সরকার বিষয়টি নিয়ে কিছুটা চাপে ছিল। দলের বিধায়ক ও জেলা নেতারা এব্যাপারে ভূমিদপ্তর তথা জেলা প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা করেন। তারপরই এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ট্রাক্টরের পাশাপাশি বড় লরি, ডাম্পার, ট্রাকে বালি পরিবহণ করা হয়। তা মূলত কলকাতা ও ভিন জেলায় পাঠানো হয়। ওই বালি বড় বড় নির্মাণ সংস্থা, প্রোমোটাররা কিনে থাকে। ফলে তা নিয়ে প্রশাসন খুব একটা কড়াকড়ি করতে চায়নি। তবে জেলার অনেকে বাড়ি তৈরির জন্য দফায় দফায় ট্রাক্টরে বালি আনার পরিবর্তে এক ডাম্পার বালি একবারে কিনে থাকেন। তাঁদের জন্য অন্তত বড় গাড়ির ক্ষেত্রে বালির দাম যাতে খাদান মালিকরা কমান, সেই আর্জি জানানো হয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ