Bartaman Logo
১৮ জুন, ২০২৬

রাজধানীতে ১১ দিনে মোট ৭ টাকা বাড়ল সিনজির দাম! ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধিতে কাঁপছে জ্বালানি বাজার

পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার জেরে জ্বালানির বাজারে চাপ বাড়ছে ক্রমশ। তারই প্রভাব পড়ছে দেশের জ্বালানির দামের উপর। রাজধানী দিল্লিতে ফের বাড়ল সিএনজির দাম।

রাজধানীতে ১১ দিনে মোট ৭ টাকা বাড়ল সিনজির দাম! ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধিতে কাঁপছে জ্বালানি বাজার
  • ২৬ মে, ২০২৬ ০৯:৩১
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি, ২৬ মে: পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার জেরে জ্বালানির বাজারে চাপ বাড়ছে ক্রমশ। তারই প্রভাব পড়ছে দেশের জ্বালানির দামের উপর। রাজধানী দিল্লিতে ফের বাড়ল সিএনজির দাম। নতুন দরে দিল্লিতে এক কেজি সিএনজির দাম হল ৮৩ টাকা ৯ পয়সা, যেখানে আগে ছিল ৮১ টাকা ৯ পয়সা। একইভাবে নয়ডা, গাজিয়াবাদ ও গ্রেটার নয়ডাতেও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১ টাকা ৭০ পয়সা। গুরুগ্রামে প্রতি কেজি সিএনজি-র নতুন দাম হয়েছে ৮৮ টাকা ১২ পয়সা। 

Advertisement

গত ১৫ মে থেকে ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সিএনজি-র দাম। প্রথম দফায় এক লাফে ২ টাকা বৃদ্ধি হয়। এরপর ১৭ মে আরও ১ টাকা বাড়ানো হয়। ২৩ মে ফের ১ টাকা দাম বাড়ার ঘোষণা আসে। আর সোমবার আবারও ২ টাকা বৃদ্ধি পেল সিএনজি। ফলে মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি মোট ৬ টাকা দাম বেড়েছে। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালী কার্যত অচল হয়ে পড়ায় বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস এই প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হয়। বর্তমানে সরবরাহে টান পড়ায় দামও বাড়ছে দ্রুত। 

শুধু সিএনজি নয় দেশজুড়ে দাম বেড়েছে পেট্রোল-ডিজেলেরও। সোমবার পেট্রোল লিটার পিছু ২ টাকা ৬১ পয়সা ও ডিজেল প্রতি লিটারে ২ টাকা ৭১ পয়সা বেড়েছে। জ্বালানির লাগাতার মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের সংসারের খরচ ক্রমশ নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। তার উপর পেট্রল ও ডিজেলের নতুন দাম বৃদ্ধিতে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠছে। অথচ আন্তর্জাতিক বাজারের ছবিটা সম্পূর্ণ আলাদা। ভারত যে দেশগুলি থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, সেই বাজারগুলিতে গত কয়েক দিন ধরেই ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ১০০ ডলারের নীচে নেমে এসেছে।

ব্রেন্ট ক্রুডের হিসাব বলছে, ১৮ মে ব্যারেল প্রতি দাম ছিল প্রায় ১১৭ ডলার। এরপর ধাপে ধাপে তা কমতে শুরু করে। ১৯ মে দাম নেমে আসে ১০৬ ডলারে, ২১ মে তা হয় ৯৯.৫০ ডলার এবং সোমবার দাঁড়ায় ৯৭.২৬ ডলারে। শুধু ব্রেন্ট নয়, অন্যান্য আন্তর্জাতিক ক্রুডের দামও ৯২ থেকে ৯৮ ডলারের মধ্যেই ঘোরাফেরা করছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমলেও দেশের বাজারে কেন পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ছে? মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে কার্যত কোনও রেহাই পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ