Bartaman Logo
৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

'যোগীরাজ্যের মডেল অনুসরণ করা হবে' রাজ্যের সাম্প্রতি একাধিক ইস্যু নিয়ে কী বললেন দিলীপ ঘোষ

শপথগ্রহনের  পর গত সোমবার প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে যা যা সিদ্ধান্ত হয়েছিল তার বেশ কিছু ইতিমধ্যেই রাজ্যে রূপায়িত হতে শুরু করেছে। আর আজ নবান্নে দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক চলছে।

'যোগীরাজ্যের মডেল অনুসরণ করা হবে'  রাজ্যের সাম্প্রতি একাধিক ইস্যু নিয়ে কী বললেন দিলীপ ঘোষ
  • ১৮ মে, ২০২৬ ১৩:১৯
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শপথগ্রহনের  পর গত সোমবার প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে যা যা সিদ্ধান্ত হয়েছিল তার বেশ কিছু ইতিমধ্যেই রাজ্যে রূপায়িত হতে শুরু করেছে। আর আজ নবান্নে দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক চলছে। বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এবং সপ্তম বেতন কমিশন রূপায়ণ করার মত বিষয় নিয়েও খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত হবে। এমনই ইঙ্গিত দিলেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

Advertisement

পঞ্চায়েত দপ্তরের মন্ত্রী তিনি। দীর্ঘদিন বিরোধী আসনে থাকাকালীন পঞ্চায়েত দপ্তরে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল গেরুয়া শিবির। সরকার পরিবর্তনের পর এবার সেই দপ্তরকে 'দুর্নীতিমুক্ত' করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য বলে স্পষ্ট করেছেন দিলীপ ঘোষ। পাশাপাশি প্রশাসনিক কাজের গতি বাড়াতে নতুন নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার কথাও এদিন তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, 'চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিজ্ঞপ্তি ইতিমধ্যেই অর্থ দপ্তরের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে। সরকারি কাজ যত দ্রুত সম্ভব কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। যদিও এখনও মন্ত্রিসভার পূর্ণাঙ্গ সম্প্রসারণ হয়নি এবং মন্ত্রীর সংখ্যাও কম। তবে মন্ত্রিসভার বিস্তার সম্পূর্ণ হলে প্রশাসনিক কাজ আরও দ্রুত গতিতে এগোবে'। দীর্ঘদিনের কেন্দ্রের উদ্দ্যোগ থাকলেও গত রাজ্য সরকারের অনিহায় ভারত বাংলাদেশর দীর্ঘ সীমান্ত অরক্ষিত রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। দিলীপ ঘোষের দাবি, ' বিএসএফ-এর জন্য জমি চিহ্নিতকরণ এবং মাপজোকের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। খুব শীঘ্রই জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়াও শুরু হবে'

রেলের জমিতে জবরদখল উচ্ছেদ নিয়েও কড়া অবস্থান নিয়েছে সরকার। এদিন এই বিষয়েও তিনি জানান, 'যোগীরাজ্যের মডেল' অনুসরণ করে দ্রুত জবরদখল মুক্ত করা হচ্ছে স্টেশন এলাকা। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বহু স্টেশন ভয়াবহভাবে দখল হয়ে আছে। স্টেশনে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা, বসার জায়গাও নেই, নিত্যদিন যাত্রীদের বহু সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। এই সমস্যার সমাধানে যেখানে আরপিএফ একা ব্যবস্থা নিতে পারবে, সেখানে তারা অভিযান চালাবে। প্রয়োজনে রাজ্য পুলিশও সহযোগিতা করবে। এই নিয়ে বিরোধীরা সরব হলেও দিলীপ ঘোষোর পলটা কটাক্ষ তাহলে কি এখানে ভোগী রাজ্য চলবে?

এছাড়াও একাধিক ভিআইপির বিশেষ নিরাপত্তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, 'বেশিরভাগ ভিভিআইপি কোনো না কোনো দূর্নিতির সঙ্গে যুক্ত। সাধারণ মানুষের ভয়ে এরা কড়া নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরত। ফলে সাধারণ মানুষের কাজের সময় পর্যাপ্ত পুলিশ পাওয়া যেত না'

আজ থেকে স্কুলে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তার দাবি 'এটা আগেই হওয়া উচিত ছিল, যেখানে বন্দে মাতরম লেখা হয়েছে সেই মাটিতে স্কুলে বন্দে মাতরম গাওয়াটাই কাঙ্খিত।

রাজ্যের সাম্প্রতিক একাধিক ইস্যু নিয়ে কী বললেন দিলীপ ঘোষ দেখেনিন নীচের ভিডিওতে -

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ