আমেদাবাদ: বিরাট কোহলি বনাম শুভমান গিল! একজন চিহ্নিত ‘কিং’ হিসেবে। অন্যজন ‘প্রিন্স’। বৃহস্পতিবার মোতেরায় কোটিপতি লিগের প্রধান আকর্ষণ এই দ্বৈরথই। তবে গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে নিশ্চিতভাবেই ফেভারিট হিসেবে শুরু করবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। আট ম্যাচে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের ঝুলিতে ১২ পয়েন্ট। অন্যদিকে, সমসংখ্যক ম্যাচে গুজরাতের পকেটে ৮ পয়েন্ট। চারটি জয়ের পাশাপাশি চারটি ম্যাচে হেরেছে তারা। তবে রবিবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে দাপটে জিতেছে গিল ব্রিগেড। প্লে-অফের দৌড়ে থাকতে গেলে জয়ের রাস্তাতেই থাকা জরুরি টাইটান্সের।
আরসিবি আবার রয়েছে বিধ্বংসী মেজাজে। সপ্তাহখানেক আগে গুজরাতকেই ৫ উইকেটে হারিয়েছিল রজত পাটীদারের দল। সোমবার দিল্লি ক্যাপিটালসকে রীতিমতো তুবড়ে দিয়ে ৯ উইকেটে এসেছে জয়। অক্ষর প্যাটেলদের মাত্র ৭৫ রানে থামিয়ে দেয় তারা। জস হ্যাজলউড নিরন্তর পরীক্ষা নেন ব্যাটারদের। ভুবনেশ্বর কুমারের সুইংও প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। দুই পেসারের সামনে পাওয়ার প্লে’র মধ্যেই কার্যত হেরে যায় দিল্লি। মোতেরায় যদিও ততটা সুইং-সহায়ক কন্ডিশন থাকার কথা নয়। তবে ওপেনার হিসেবে সাই সুদর্শন ও গিলের প্রধান কাজ হবে ভুবি-হ্যাজলউড জুটিকে উইকেট না দেওয়া। চলতি আসরে একটি শতরানসহ সুদর্শনের ব্যাটে এসেছে ৩২২ রান। ক্যাপ্টেন গিলের সংগ্রহ ৩৩০। তিন নম্বরে নামা জস বাটলার (২৭০) ও চারে নামা ওয়াশিংটন সুন্দর (১৫৭) ভরসা দিয়েছেন। কিন্তু শাহরুখ খান, রাহুল তেওয়াটিয়া, গ্লেন ফিলিপসরা প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ। মিডল অর্ডার নিয়ে তাই চিন্তা থাকছে।
বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং গভীরতা আবার মারাত্মক। আইপিএলে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৯ হাজারের গণ্ডি পেরনো বিরাট রয়েছেন আগ্রাসী মেজাজে। এই আসরে ৩৫১ রান হয়ে গিয়েছে তাঁর। দেবদূত পাদিক্কাল (২৪২), রজত পাটীদার (২৩৮), ফিল সল্ট (২০২), টিম ডেভিডও (১৮৩) আছেন রানের মধ্যে। তবে চোটের জন্য গত দুটো ম্যাচে খেলেননি সল্ট। পরিবর্তে নামা জেকব বেথেল হতাশ করেছেন। গুজরাতের বোলিং অবশ্য রীতিমতো ওজনদার। মহম্মদ সিরাজ, কাগিসো রাবাডা, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার পাশাপাশি আছেন জেসন হোল্ডারও। লেগস্পিনার রশিদ খান আবার যে কোনো দলের সম্পদ।