


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে এমপ্লয়মেন্ট লিঙ্কড ইনসেন্টিভ বা ইএলআই স্কিম। ১ আগস্ট থেকে প্রকল্পটি চালু হয়েছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা। ২০২৭ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময়কালে তৈরি হওয়া কাজের ক্ষেত্রে এর সুযোগ মিলবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রক। কেন্দ্রীয় সরকার ওই প্রকল্পের জন্য ৯৯ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। প্রকল্পটির হাত ধরে আগামী দু-বছরে সংগঠিত ক্ষেত্রে সাড়ে তিন কোটি কাজের সুযোগ তৈরি হবে, দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কি সত্যিই এত নতুন চাকরি হবে? সেই বিষয়ে যথার্থ তথ্য পেতে কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ও পরিকল্পনা রূপায়ণ মন্ত্রকের সাহায্য চাইছে তারা।
ঘোষিত প্রকল্পটিকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ভাগে রয়েছেন সেইসব কর্মী, যাঁরা প্রথমবার কাজে যোগ দিচ্ছেন। তাঁরা একমাসের মজুরি হিসেবে দুটি কিস্তিতে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পাবেন। এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইশেন বা ইপিএফও-তে নাম নথিভুক্ত থাকা সংস্থাগুলির কর্মীরা এই সুবিধা পাবেন। যাঁদের বেতন এক লক্ষ টাকার নিচে, তাঁরাই এই সুবিধা পাবেন। চাকরির ছ-মাস পর প্রথম কিস্তি এবং ১২ মাস পর দ্বিতীয় কিস্তির টাকা মিলবে। দ্বিতীয় সুবিধাটি দেওয়া হবে কর্মদাতা সংস্থাগুলিকে। ধারাবাহিকভাবে ছ-মাস কর্মরত প্রতিজন অতিরিক্ত কর্মীর জন্য দু-বছর ধরে মাসে তিন হাজার পর্যন্ত দেওয়া হবে কর্মদাতাদের। উৎপাদন শিল্পের ক্ষেত্রে এই সুযোগ মিলবে চার বছর পর্যন্ত।
সংগঠিত ক্ষেত্রে কত নতুন চাকরি হল, তার তালিকা প্রতিমাসে প্রকাশ করে ইপিএফও। তারপরও কেন পরিসংখ্যান মন্ত্রককে এই কাজে ব্যবহার করতে হচ্ছে? দপ্তরের কর্তাদের কথায়, ইপিএফও যে তালিকা প্রকাশ করে, সেখানে প্রথম চাকরি কতজন পেলেন, তার হিসেব থাকে না। ফলে প্রকৃত কর্মসংস্থানের ছবি পাওয়া যায় না। পরিসংখ্যান মন্ত্রক যেহেতু লেবার ফোর্স বা শ্রমিক সংক্রান্ত তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করে, তাই এই বিষয়ে তারা আরও পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য দিতে পারবে।