Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

বিদ্বেষ ভাষণ রুখতে এবার কড়া আইন তেলেঙ্গানায়

বিদ্বেষ ভাষণ রুখতে একটি বিল পাশ হয়েছে কংগ্রেস শাসিত কর্ণাটকে। এবার একই ধরনের কড়া আইন আনতে উদ্যোগী পার্শ্ববর্তী আর এক কংগ্রেস শাসিত রাজ্য তেলেঙ্গানা।

বিদ্বেষ ভাষণ রুখতে এবার কড়া আইন তেলেঙ্গানায়
  • ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

হায়দরাবাদ:  বিদ্বেষ ভাষণ রুখতে একটি বিল পাশ হয়েছে কংগ্রেস শাসিত কর্ণাটকে। এবার একই ধরনের কড়া আইন আনতে উদ্যোগী পার্শ্ববর্তী আর এক কংগ্রেস শাসিত রাজ্য তেলেঙ্গানা। এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা জানিয়েছেন দক্ষিণের এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি। শনিবার তিনি বলেন, ধর্ম, ভাষা বা সম্প্রদায় সম্পর্কে বিদ্বেষমূলক কোনও মন্তব্য বরদাস্ত করা হবে না। আইনি পথে বিষয়টা মোকাবিলা করা হবে। বিধানসভার আগামী বাজেট অধিবেশনেই এব্যাপারে একটি নতুন বিল আনা হবে বলে জানিয়েছে রেবন্ত।  তিনি বলেন, তেলঙ্গানায় সব ধর্মের মানুষ সমান অধিকার নিয়ে শান্তিতে বসবাস করবে। কাউকে অপমান বা উসকানিমূলক মন্তব্য বরদাস্ত করা হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত আইনটি কঠোর হবে। যা লঙ্ঘন করলে কড়া শাস্তির ব্যবস্থা থাকবে। এদিন বক্তব্য রাখার সময় কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর প্রসঙ্গ টানেন রেবন্ত। বলেন, তেলেঙ্গানায় যে বড়দিন উদযাপন হয় তার পিছনে রয়েছে সোনিয়া গান্ধী।  রেবন্তের দাবি, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়ের পথ দেখিয়েছিলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া। একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, সব ধর্মের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই এই সরকারের লক্ষ্য। তবে এই ঘোষণা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে বড়দিন উদযাপনের সঙ্গে সোনিয়া গান্ধীর নাম জড়ানোয় তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বিরোধীদের দাবি, কোনও আইন আনার আগে সরকারের উচিত তার স্পষ্ট সংজ্ঞা ও প্রয়োগের রূপরেখা প্রকাশ করা। এ বিষয়ে তেলেঙ্গানার রাজ্য সরকার জানিয়েছে, সংবিধান মেনেই আইন তৈরি হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে কোনও আপস করা হবে না।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ