


হায়দরাবাদ: ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, ধর্না এবং কোনওরকম প্রতিবাদ সভা নিষিদ্ধ। তেলেঙ্গানার ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। এই নিষেধাজ্ঞা ‘গণতন্ত্রকে হত্যা’র শামিল বলে রাজ্যের শাসকদল কংগ্রেসকে একযোগে নিশানা করেছে বিজেপি ও বিআরএস। গত ১৩ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সাম্প্রতিককালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক বিভাগ, প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভ, ধর্নার জেরে পড়াশোনা ও কাজকর্ম ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে মানুষের ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়েছে। ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে বহিরাগতদের প্রবেশ এবং সমস্ত ধরনের বিক্ষোভ, প্রতিবাদ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠনপাঠন ও কর্মীদের কাজকর্মে বাধা দেওয়া হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই নির্দেশের কড়া সমালোচনা করে বেরন্ত রেড্ডি সরকারকে একহাত নিয়েছে বিজেপি ও চন্দ্রশেখর রাওয়ের দল বিআরএস। রাহুল গান্ধীর দলকে ‘অসহিষ্ণু’ বলে তোপ দেগেছেন বিআরএস নেতা কৃষাঙ্ক। তিনি বলেন, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন সাক্ষী থেকেছে ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। তেলেঙ্গানা রাজ্য গঠনেও বড় ভূমিকা নিয়েছিল এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। রাজ্যের রেবন্ত সরকার ও তাঁদের নেতা রাহুল গান্ধী দেশজুড়ে সংবিধানের উপর লাল দাগ টেনে দিতে চাইছেন। বিজেপি নেতা রামচন্দ্র রাওয়ের কটাক্ষ, ‘অলিখিত জরুরি’ অবস্থা জারি করতে চাইছে কংগ্রেস সরকার। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া ও কর্মীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলন বন্ধ করাই সরকারের
মূল লক্ষ্য।