নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হরিদেবপুর এলাকার একটি রিহ্যাব সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার সময় পথেই মৃত্যু হল এক কিশোরের। বাঁশদ্রোণী এলাকার বাসিন্দা ওই কিশোরের মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তাঁর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের কেস রুজু করে ওই পুনর্বাসন কেন্দ্রের কর্মী স্বপন প্রামাণিক, সৌরভ দাস, মনোজিত প্রামাণিক ও রীতেশ মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে বাঁশদ্রোণী থানা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই কিশোর জটিল মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিল। মাঝেমধ্যেই বাড়িতে হিংস্র হয়ে উঠত। সেই সময় তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন না পরিবারের লোকজন। শেষমেশ তাকে ভরতি করার জন্য হরিদেবপুর এলাকার একটি রিহ্যাব সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কিশোরের পরিবার। রবিবার সন্ধ্যায় তাকে নিতে আসে রিহ্যাব সেন্টারের চারজন। নাবালককে একটি গাড়িতে তোলা হয়। মাঝপথেই সে অচৈতন্য হয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। রিহ্যাব সেন্টারের যে কর্মীরা তাকে আনতে বাড়িতে গিয়েছিলেন, তাঁদেরই একজন ওই কিশোরের বাড়িতে ফোন করে মৃত্যুর কথা জানান। হাসপাতালের তরফে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। বাঁশদ্রোণী থানার পুলিশ ওই কিশোরের বাড়িতে গিয়ে গোটা বিষয়টি জানতে পারে। মৃতের মা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর ছেলেকে মারধর করা হয়েছে। যার জেরেই মৃত্যু হয়েছে তার। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ খুনের ধারায় মামলা রুজু করে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।