নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: নৈহাটি বিধানসভার উপনির্বাচনে মোট ২১০টি বুথের মধ্যে একটি বুথেও জিততে পারেন নি বিরোধীরা। প্রতিটি বুথেই এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। অথচ ছয় মাস আগে গত লোকসভা নির্বাচনে পঞ্চাশটি বুথে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। এবার অধিকাংশ বুথে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বিজেপি। হাতেগোনা কয়েকটি বুথে সিপিআইএম (লিবারেশন) প্রার্থী দেবজ্যোতি মজুমদার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। তবে বিজেপি, সিপিএম সমর্থিত লিবারেশন এবং কংগ্রেসের প্রার্থী নিজেদের বুথেও হেরেছেন। নির্বাচনের বুথ ভিত্তিক ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা গেল, অনেক বুথে বিজেপির প্রাপ্ত ভোট দু’ সংখ্যার ঘরে পৌঁছয়নি। বেশ কিছু বুথে একশোর কম ভোট পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থী রূপক মিত্র। বাকি প্রার্থীদের হালও শোচনীয়।
Advertisement
উপ নির্বাচনে নৈহাটি পুরসভার ৩১টি ওয়ার্ডের সবক’টিই জিতেছে তৃণমূল। গত লোকসভা নির্বাচনে ৭টি ওয়ার্ডে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। শহরের বাইছে প্রতিটি পঞ্চায়েতেও তৃণমূলের মার্জিন বেড়েছে। গত লোকসভা নির্বাচনে গ্রামীণ এলাকার কিছু বুথে তৃণমূল পিছিয়ে ছিল। এবার উলটপুরান বিধানসভার ভোটে। বিরোধীরা ধারে কাছে আসতে পারেনি। তৃণমূল প্রার্থী সনৎ দে যেখানে প্রদত্ত ১ লক্ষ ২৫ হাজার ১০০ ভোটের মধ্যে ৭৮ হাজার ৭৭২ পেয়েছেন, সেখানে বিজেপি প্রার্থী রূপক মিত্র পেয়েছেন মাত্র ২৯ হাজার ৪৯৫টি ভোট। লিবারেশন প্রার্থী পেয়েছেন ৭৫৯৩টি এবং কংগ্রেস প্রার্থী পরেশ সরকার পেয়েছেন মাত্র ৩৮৮৩ টি ভোট।
প্রতি বুথের হারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী রূপক মিত্র বলেন, চাপা সন্ত্রাসের কারণেই হেরে গিয়েছি। একেকজন ৪০-৫০টা করে ভোট দিয়েছে। সন্ত্রাসের কথা স্বীকার করেননি লিবারেশন প্রার্থী দেবজ্যোতি মজুমদার। তিনি বলেন, মানুষ আমাদের গ্রহণ করেনি। সেইভাবে সন্ত্রাস হয়েছে বলব না। কিছু প্রক্সি ভোট হয়েছে। নিজেদের সংগঠন না থাকার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী পরেশ সরকার।
বিজেপির সব অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী সনৎ দে। তাঁর কথায়, একজন ভোটারও দেখাতে পারবেন, যিনি তাঁর ভোট দিতে পারেননি। প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করছি। কোথাও কোনো রিগিং, সন্ত্রাস ছাপ্পাবাজি কিচ্ছু হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন কর্মযজ্ঞকেই মানুষ দু’হাত তুলে সমর্থন জানিয়েছেন। নৈহাটি বিধানসভার সমস্ত ভোটারের কাছে কৃতজ্ঞ।
প্রতি বুথের হারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী রূপক মিত্র বলেন, চাপা সন্ত্রাসের কারণেই হেরে গিয়েছি। একেকজন ৪০-৫০টা করে ভোট দিয়েছে। সন্ত্রাসের কথা স্বীকার করেননি লিবারেশন প্রার্থী দেবজ্যোতি মজুমদার। তিনি বলেন, মানুষ আমাদের গ্রহণ করেনি। সেইভাবে সন্ত্রাস হয়েছে বলব না। কিছু প্রক্সি ভোট হয়েছে। নিজেদের সংগঠন না থাকার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী পরেশ সরকার।
বিজেপির সব অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী সনৎ দে। তাঁর কথায়, একজন ভোটারও দেখাতে পারবেন, যিনি তাঁর ভোট দিতে পারেননি। প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করছি। কোথাও কোনো রিগিং, সন্ত্রাস ছাপ্পাবাজি কিচ্ছু হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন কর্মযজ্ঞকেই মানুষ দু’হাত তুলে সমর্থন জানিয়েছেন। নৈহাটি বিধানসভার সমস্ত ভোটারের কাছে কৃতজ্ঞ।



