Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মাত্র দু’বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার কাজ করেছেন সুজয়

জনগণের প্রত্যাশা ছিল অনেকটাই। নিবার্চনের আগে বিধায়ক প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। এবার জনগণের সেই হিসাব বুঝে নেওয়ার পালা

মাত্র দু’বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার কাজ করেছেন সুজয়
  • ২০ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

রাজদ্বীপ গোস্বামী, মেদিনীপুর: জনগণের প্রত্যাশা ছিল অনেকটাই। নিবার্চনের আগে বিধায়ক প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। এবার জনগণের সেই হিসাব বুঝে নেওয়ার পালা। আগামী ২৩ এপ্রিল ইভিএমেই হবে হিসাবনিকাশ। ইতিমধ্যেই মেদিনীপুরের অলিগলি, চায়ের দোকানে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে বিধায়ক কী পেরেছে, কী পারেনি তার চুলচেরা বিশ্লেষণ। মেদিনীপুর আসনটি তৃণমূলের দখলে। বিদায়ী বিধায়ক সুজয় হাজরা। দল ফের আস্থা তাঁকেই টিকিট দিয়েছে। ২০২১ সালে এই আসনে জিতেছিলেন অভিনেত্রী জুন মালিয়া। তাঁর কাজে সন্তুষ্টও ছিল সাধারণ মানুষ। তবে ২০২৪ সালে মেদিনীপুর লোকসভা আসনে জুন মালিয়াকে প্রার্থী করে তৃণমূল। তিনি জেতেনও। ফলে মেদিনীপুর বিধানসভা আসনটি ফাঁকা হয়ে যায়। সেই বছরই শেষের দিকে মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়। সেই নির্বাচনে টিকিট পান মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুজয় হাজরা। প্রায় ৩৩ হাজার ভোটে জয়ী হন তিনি। পুরো মেয়াদ সুযোগ না পাওয়া সত্ত্বেও সুজয়বাবুর কাজে সন্তুষ্ট মানুষ। বিধায়ককে বিভিন্ন এলাকায় কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে। প্রতিশ্রুতি অনুসারে, বিধায়ক একশো শতাংশ টাকা খরচ করেছেন। তিনি দু’ বছরে মোট ১ কোটি ৯৬ লক্ষ টাকার কাজ করেছেন। তথ্য অনুসারে, শুধুমাত্র ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষে ৬৯ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার, ২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষে ৬০ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার কাজ করেছেন বিধায়ক। আগের বিধায়কের তহবিলে অবশিষ্ট থাকা ৫২ লক্ষ টাকারও বেশি খরচ করেছেন সুজয়বাবু। এই টাকা খরচ করে ৩৮টি মিনি মাস্ট লাইট, ১৫টি কমিউনিটি হল, ১০টি রাস্তা ও নিকাশি নালার সংস্কার ছাড়াও বিভিন্ন স্কুলকে সহযোগিতা, খেলাধুলোর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ক্লাবে ব্যায়ামাগার তৈরি করেছেন ও ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রদান করেছেন বিধায়ক। তবে বিধায়ক বেশকিছু কাজ করতেও পারেননি। তারমধ্যে অন্যতম হল শহরের যানজট সমস্যার সমাধান। এছাড়াও মেদিনীপুর সদর ব্লকে নদীর ভাঙনের স্থায়ী সমাধান হয়নি। শহরে নিকাশি ব্যবস্থার সমস্যা রয়েছে। তৃণমূলের প্রার্থী সুজয় হাজরা বলেন, অল্প সময় হাতে পেলেও দ্রুত কাজ করার চেষ্টা করেছি। দল বড় দায়িত্ব দিয়েছে, সেই দায়িত্ব সাফল্যের সঙ্গে পূরণ করব। 

Advertisement

মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকায় বিধায়ক তহবিল ছাড়াও বিভিন্ন ফান্ডের টাকায় একাধিক প্রকল্প রূপায়িত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিজেপির জন্য আজকে মানুষকে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। বহু বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ সভাপতি শঙ্কর গুছাইত বলেন, বিধায়ক কোনো কাজ করেননি। বিধায়কের একটা কাজও দেখাতে পারবেন না। তাই এবার বিজেপিই জিতবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ