


নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: জয়ের হ্যাটট্রিক করেছিলেন ২০২১ সালেই। চতুর্থবারের জন্য বিধাননগর বিধানসভায় মন্ত্রী সুজিত বসুর উপরই আস্থা রাখল তৃণমূল কংগ্রেস। ২০২১ সালে রাজারহাট-গোপালপুর বিধানসভা থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছিলেন সঙ্গীতশিল্পী অদিতি মুন্সি। এবারও তাঁর উপর আস্থা রেখে ওই কেন্দ্রে দ্বিতীয়বারের জন্য প্রার্থী করল তৃণমূল। একইভাবে রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভায় ২০২১ সালে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন দক্ষ সংগঠক হিসেবে পরিচিত তাপস চট্টোপাধ্যায়। তাঁর উপর এবারও আস্থা রাখল তৃণমূল। ওই কেন্দ্র থেকেই দ্বিতীয়বারের জন্য তাঁকে প্রার্থী করল দল। মঙ্গলবার বিকেলে প্রার্থীতালিকা প্রকাশের পর উৎসবের মেজাজ বিধাননগর-রাজারহাট-নিউটাউনে। প্রচারে নেমে পড়ে তৃণমূলের কর্মীরা। কোথাও রং-তুলি নিয়ে চলে দেওয়াল লিখন। কোথাও বেরয় মিছিল। ২০১১ সাল থেকে বিধাননগর বিধানসভার বিধায়ক সুজিত বসু। তিনি যে বিধাননগর থেকে এবারও প্রার্থী হচ্ছেন তার আন্দাজ সকলেরই ছিল। তবুও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় ছিলেন সুজিতের অনুগামীরা। বিকেলে প্রার্থী ঘোষণা হতেই সল্টলেকে শুরু হয়ে যায় দেওয়াল লিখন। বিকেলে সুজিত বসুর সমর্থনে ব্যানার নিয়ে দত্তাবাদ এলাকায় বড়ো আকারের মিছিল বের করে ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কর্মীরা। মিছিলের নেতৃত্ব দেন ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার আলো দত্ত এবং প্রাক্তন কাউন্সিলার নির্মল দত্ত। ইএম বাইপাস ঘুরে সল্টলেকের ভিতরেও হাঁটে মিছিল। তাতে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া। শোভাযাত্রা থেকে স্লোগান ওঠে, ‘বিধাননগরে জিতবে কে? সুজিত বসু আবার কে।’ রাজারহাট-গোপালপুরের প্রার্থী অদিতি মুন্সির সমর্থনেও এদিন একাধিক জায়গায় দেওয়াল লিখন হয়। দলের কর্মীরা জানান, মঙ্গলবার রাতভর দেওয়াল লিখন চলেছে। রাজারহাট-নিউটাউনের প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায় নিজেই রং-তুলি হাতে দেওয়াল লিখতে রাস্তায় নামেন। নিজের নাম লেখার পাশাপাশি ঘাসফুলের ছবি আঁকেন। তাপসবাবুর সঙ্গে দেওয়াল লিখনে উপস্থিত ছিলেন তাঁর কন্যা এবং বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ আরাত্রিকা ভট্টাচার্য। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কয়েকশো দলীয় কর্মী। সবার মুখে স্লোগান। হাতে ঘাসফুলের পতাকা। এই তিন বিধানসভা এলাকাতেই শুরু হল তৃণমূলের ভোটপ্রচার। দেওয়াল লিখছেন তৃণমূল প্রার্থী তাপস চট্টোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র।