


নয়াদিল্লি: ইউপিএসসির মেধাতালিকায় ৫১তম স্থান। পঞ্চমবারের চেষ্টায় দেশের অন্যতম সেরা পরীক্ষায় সফল রুচিকা ঝা। তবে তাঁর এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে সাংবাদিকতার তালিম। এক সাক্ষাৎকারে রুচিকা নিজেই এমনটা জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতা আর পড়ার অভ্যাসই তাঁকে ইউপিএসসির সাফল্য এনে দিয়েছে। অবশ্য শুধু সাংবাদিকতাই নয়। তিনি ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারও। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের নিউজরুমে যা যা শিখেছেন, সেটাই ইউপিএসির প্রস্তুতিতে তাঁকে সাহায্য করেছে। রুচিকা বলেছেন, এহেন পরীক্ষায় সফল হতে গেলে অবশ্যই দরকার কোনও বিষয়ের গভীরে ঢুকে তার সমাধানসূত্র বের করা। আর সে জন্য প্রয়োজন পড়াশোনার প্রতি অকুণ্ঠ ভালোবাসা। সেই অধ্যবসায় তিনি শিখেছেন সাংবাদিকতা থেকে।
কীভাবে নিলেন এহেন প্রস্তুতি। এব্যাপারে রুচিকা বলেন, ‘আমার ইউপিএসসি সফর শুরু হয়েছিল সেই ২০২০ সালে। সেই সময় আমি পিটিআইয়ের কপি এডিটর ছিলাম। সাংবাদিকতায় ডিপ্লোমার পর মিডিয়া সেক্টরে যোগ দিই। পিটিআইতে কাজ করার সময়েই সিভিল সার্ভিসের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করি। তবে কাজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আমার এই স্বপ্নপূরণ করা সহজ ছিল না। অবসর সময়টাকেই ইউপিএসসি প্রস্তুতির জন্য বেছে নিয়েছিলাম।’ তিনি বলেন, কপি এডিটর হিসেবে নিয়মিত সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে নাড়াচাড়া করায় তাঁর খবর সংক্রান্ত জ্ঞান বাড়তে থাকে। একইসঙ্গে বই পড়াও অভ্যাসে দাঁড়িয়ে যায়। বিভিন্ন সংবাদ নিয়ে চর্চা ও তা কাটছাঁট করে প্রকাশের যোগ্য করে তোলাই ছিল রুচিকার কাজ। তাই গত পাঁচ বছরে ইউপিএসসির গোটা প্রস্তুতিতে পিটিআইয়র অভিজ্ঞতা তাঁকে অনেকটাই সহযোগিতা করেছে বলে দাবি রুচিকার।
তাঁর বাবা রসায়নের অধ্যাপক এবং মা গৃহিনী। এই দু’জনের কাছ থেকে লাগাতার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন বলে সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন রুচিকা। পিটিআইতে ২০১৮ সালের নভেম্বর থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তিনি কাজ করেছেন।