নয়াদিল্লি: ‘এই উত্তরপত্র আমার নয়!’ সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এভাবে অসন্তোষের কথা জানিয়েছিলেন। সেজন্য সিবিএসই দ্বাদশের এক পড়ুয়াকে কটাক্ষের শিকার হতে হল। এমনকি ‘পাকিস্তানি’ তকমাও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পড়ুয়ার পাশে দাঁড়িয়ে কটাক্ষের নিন্দায় সরব লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। দ্বাদশের বোর্ড পরীক্ষায় পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে সন্দেহ হলে উত্তরপত্র পুনর্বিবেচনা করা যাবে। এমন নিয়ম আগেই ঘোষণা করেছিল সিবিএসই। সেইমতো নিজের উত্তরপত্র ফের বিবেচনার জন্য আবেদন করেছিলেন দিল্লির বেদান্ত। নির্দিষ্ট সময়ে তাঁকে উত্তরপত্র পাঠায় সিবিএসই। বেদান্তের দাবি, ইমেল মারফত উত্তরপত্র পেয়েছিলেন। বাকি বিষয়গুলো নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। স্রেফ ফিজিক্সের উত্তরপত্রটি তাঁর নয় বলে দাবি করেন বেদান্ত। প্রমাণ হিসাবে কম্পিউটার এবং ইংরেজির উত্তরপত্রের ছবিও প্রকাশ করেন তিনি। জানান, দু’টি উত্তরপত্রে যে একজনেরই হাতের লেখা তা স্পষ্ট। কিন্তু ফিজিক্সের উত্তরপত্র হিসাবে যা পাঠানো হয়েছে সেটা আলাদা। কিন্তু এজন্য তাঁকে কেউ কেউ কটাক্ষ করেন বলে অভিযোগ। বিষয়টা নিয়ে বিভিন্ন মহলে শোরগোল শুরু হতেই সরব হন রাহুল । এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘মোদি-প্রধান জুটি আরও একটি প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতির প্রতীকে পরিণত করেছে। এই প্রথম সিবিএসই বোর্ড পরীক্ষাকে ঘিরে এত গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে অনস্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম (ওএসএম), ভুল মূল্যায়ন এবং খাতা দেখায় অনিয়ম নিয়ে অসংখ্য অভিযোগ উঠলেও শিক্ষামন্ত্রী নীরব।’ এরপরই বেদান্তের প্রসঙ্গে রাহুল লেখেন, ‘এক ১৭ বছরের ছাত্র, যার উত্তরপত্র ভুলভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছিল, ন্যায়বিচারের আশায় সোশ্যাল মিডিয়ার দ্বারস্থ হয়। কিন্তু সাহায্যর বদলে সে কটূক্তি ও আক্রমণের শিকার হয়।’


