Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আপত্তিকর ছবি ভাইরাল: অপমানে আত্মঘাতী কিশোরী, গ্রেফতার দুই

আপত্তিকর ছবি তুলে ভাইরাল করার অভিযোগ। এর জেরে অপমানে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী দশম শ্রেণির ছাত্রী।

আপত্তিকর ছবি ভাইরাল: অপমানে আত্মঘাতী কিশোরী, গ্রেফতার দুই
  • ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: আপত্তিকর ছবি তুলে ভাইরাল করার অভিযোগ। এর জেরে অপমানে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী দশম শ্রেণির ছাত্রী। জলপাইগুড়ির গড়ালবাড়ির এই ঘটনার পর মৃতার পরিবার অভিযোগ দায়ের করলে একাদশ শ্রেণির এক ছাত্র ও তার কাকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের মর্গে ছাত্রীর দেহের ময়নাতদন্ত হয়। 

Advertisement

এদিকে, পৃথক ঘটনায় এক যুবতীর গোপন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। ওই ঘটনায় যুবতীর ‘প্রেমিক’ ও আরও এক অভিযুক্তকে খুঁজছে পুলিশ। জলপাইগুড়ির কোতোয়ালি থানার আইসি সঞ্জয় দত্ত বলেন, গড়ালবাড়ি এলাকায় এক নাবালিকার আপত্তিকর ছবি তুলে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে নাবালককে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বোর্ডের নির্দেশে হোমে পাঠানো হয়েছে তাকে। অন্যজনকে এদিন আদালতে তোলা হলে জেল হেপাজত হয়েছে। অন্য ঘটনায় যুবতীর গোপন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইসি। তিনি বলেন, ওই যুবতীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্টুডিওর মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে টাকার বিনিময়ে একজনের কাছে যুবতীর আপত্তিকর ছবি বিক্রি করেছিল বলে অভিযোগ। ক্রেতার খোঁজ চলছে। কীভাবে যুবতীর গোপন ছবি বাইরে এল, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 
গড়ালবাড়ির ঘটনায় পাশের গ্রামের বাসিন্দা একাদশের এক ছাত্রের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ১৬ বছরের ছাত্রীর। সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি তোলে তার নাবালক ‘প্রেমিক’। পরে ওই ছবি হাতিয়ার করে ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয় অভিযুক্ত ছাত্র ও তার কাকা। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি ভাইরাল করে দেওয়া হয়। অপমানে শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের বাড়িতে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয় ওই ছাত্রী, এমনটাই দাবি পরিবারের।মৃত ছাত্রীর বাবা বলেন, আমরা যতদূর জানতে পেরেছি, মেয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় ছেলেটি রাস্তায় ওকে উত্যক্ত করত। জোর করে মেয়ের কাছ থেকে ফোন নম্বর নেয় সে। তারপর মোবাইলে ভিডিও কল করে মেয়েকে কথা বলতে বাধ্য করত। এভাবে কিছুদিন চলার পর ছেলেটির পাতা ফাঁদে পা দিয়ে ফেলে মেয়ে। এরপর ছবি হাতিয়ে নেয় ছেলেটি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ